সন্ত্রাসবাদে মদদদানের অভিযোগে কাতারের ‘শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন’ আনতে সৌদি আরবের কূটকৌশল

কাতারের ‘শাসনব্যবস্থায় পরিবর্তন’ আনতে সৌদি আরব কূটকৌশল করছে বলে অভিযোগ করেছে দোহা। কাতারের সঙ্গে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের চলমান সংকটের মধ্যে দোহা এই অভিযোগ করল।সন্ত্রাসবাদে মদদদানের অভিযোগে প্রায় সাড়ে চার মাস আগে সৌদি আরবের নেতৃত্বে উপসাগরীয় আরব দেশগুলো কাতারকে একঘরে করে।

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মুহাম্মদ বিন আবদুলরাহমান আল থানি যুক্তরাষ্ট্রের টিভি চ্যানেল সিএনবিসিতে গত মঙ্গলবার বলেন, কাতারের নেতৃত্ব অস্থিতিশীল করতে চাইছে রিয়াদ।শেখ মুহাম্মদ বলেন, ‘আমরা দেখছি (সৌদি আরব) সরকারের কর্তাব্যক্তিরা শাসনে (কাতার) পরিবর্তন আনার বিষয়ে কথা বলছেন।’

কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো দেশের ওপর অবরোধ আরোপের পরিকল্পনা ‘সন্ত্রাসবাদ’ দূর করার উদ্দেশ্য হয় না। হয় অসম্মান করতে ও শাসাতে।বিশ্বে তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের সবচেয়ে বড় রপ্তানিকারক কাতার। উপসাগরীয় অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মার্কিন ঘাঁটিও এখানে। প্রায় ১১ হাজার মার্কিন সেনাসদস্য রয়েছে কাতারে।শেখ মোহাম্মদ বলেন, অবরোধের কারণে এই অঞ্চলে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ৫ জুন কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরবের নেতৃত্বে চার দেশ। দেশগুলো হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। পরে লিবিয়া ও ইয়েমেন এতে যোগ দেয়। আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরি, সন্ত্রাসবাদে উসকানি ও জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটকে মদদ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয় কাতারের বিরুদ্ধে। বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে দোহা।

Comments Us On Facebook: