Monday , May 21 2018
Home / পাঠক কলাম / ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ভারত- আওয়ামিলীগ গোলামীর চুক্তি সম্পন্ন হলো !

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ভারত- আওয়ামিলীগ গোলামীর চুক্তি সম্পন্ন হলো !

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে গোলামীর চুক্তি সম্পন্ন হলোঃ ভারতের সাথে অবশেষে সামরিক চুক্তি সম্পন্ন করলো আওয়ামীলীগ সরকার। ভারতের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সমঝোতায় কি কি পুষ্টিগুণ আছে এটা সবার জানা দরকার।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের আগে থেকেই এই সমঝোতা নিয়ে বাংলাদেশে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। প্রতিরক্ষা চুক্তি সই হলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে কি না, সেই সংশয় বিভিন্ন মহল প্রকাশও করেছিল। এসব কারনে তখন চুক্তি সম্পন্ন না হলেও এবার দেশের মানুষকে আকাশের দিকে তাকিয়ে রেখে নীচ দিয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি সাইন সম্পন্ন হইলো। এটা নিয়ে বাংলার মিডিয়ায় তেমন আলোচনা না হইলেও প্রথম আলো দায়সারা এটি রিপোর্ট করেছে। নিউজ লিঙ্ক- https://goo.gl/oNxJuQ

প্রতিবেশি একটি দেশের সাথে সামরিক সমযোগিতা থাকলে তো ভাল কথা। এখানে চিন্তিত হবার কি আছে? কেনইবা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হবে বলে মনে করা হচ্ছে!

মনে করার কারন হইলো এই চুক্তিটা এক প্রকার গোলামী চুক্তি। চুক্তি হয় সমানে সমানে। সেখানে স্বার্থ থাকে উভয়ের। এই চুক্তিতে আছে ভারতের শতভাগ স্বার্থ আর বাংলাদেশের আছে নতজানু গোলামী। এই চুক্তির অধীনে যে জিনিস গুলো অন্তরভুক্ত হয়েছে সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি।

= বাংলাদেশ চাইলেই ইচ্ছামত অস্ত্র ক্রয় করিতে পারিবেনা। কি কি অস্ত্র কেনা হবে, কার নিকট থেকে ক্রয় করা হবে এসব দেখাশোনা করবে ভারত।

= বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সামগ্রী ক্রয়ের দরকার হলে তারা ভারতের কাছে চাহিদা পত্র প্রদান করিবে। প্রদেশ যেমন কেন্দ্রীয় সরকার বরাবর দিয়ে থাকে।

= ভারত বাংলাদেশের চাহিদা পত্র যাচাইবাছাই করিয়া বাংলাদেশকে সেগুলোর ক্রয়ের অনুমতি দিলে বাংলাদেশ ক্রয় করিতে পারিবে। উল্লেখ থাকে যে, সেই অস্ত্র ভারতেরে নিকট থেকেই ক্রয় করিতে হইবে।

= যদি ভারতের কাছে সেই অস্ত্র বা প্রতিরক্ষা সামগ্রী না থাকে তাহলে বাপজি ভারতের কাছ থেকে অনুমতি সাপেক্ষে অন্য রাষ্ট্রের নিকট থেকে ক্রয় করিতে পারিবে। তবে ভারত যদি অন্যের নিকট থেকে যোগার করিয়া দিতে পারে তাহলে বাংলাদেশ সরাসরি অন্য রাষ্ট্র থেকে ক্রয় করিতে পারিবেনা।

= এই চুক্তির অধীনে ভারতের নিকট থেকে ৫০ কোটি ডলার বাধ্যতামূলক ঋন নিতে হয়েছে। এইডা তো একটা উপকার করছে ঠিক না? এই উপকারের নিচেই একটা আছালা বাঁশ রাখা আছে। এই টাকার যে অস্ত্র ক্রয় করতে চায় সেটা ভারত থেকে ক্রয় করতে হবে। বাপজি ভারত যে দাম নির্ধারন করিবে সেই দামেই বাংলাদেশকে ক্রয় করিতে হইবে। সাধারণত অস্ত্র ক্রয় করতে আন্তর্জাতিক টেন্ডার ডাকা হয়। সবচেয়ে নিম্ন মুল্য যিনি দেন তার নিকট থেকেই ক্রয় করা হয়। কিন্তু এখানে সেই টেন্ডারের অপশন একেবারে বিলুপ্ত করা হইয়াছে। দেখবার পারছেন তো উপকারের নীচে আছালা বাঁশ খানে কিভাবে খাড়িয়ে আছে?

= ভারতীয় বাহীনি চাইলে বাংলাদেশের ভিতরে বিভিন্ন দমন অভিযান চালাতে পারবে। বাংলাদেশের এরা থাকবে সাথে। কিন্তু কমান্ডে থাকবে দাদারা। বুইঝা লন হাসু দি কেন ক্ষমতায় আছে?

এটা কি কোন স্বাধীন দেশের অবস্থা হইতে পারে?? একটি স্বায়িত্বশাসিত দেশও অন্য রাষ্ট্রের সাথে অবাধ বানিজ্য করতে পারে। সেখানে একটি স্বাধীন দেশ কার নিকট থেকে অস্ত্র কিনবে, কি কি অস্ত্র কিনবে সেটার জন্য অনুমতি নিতে হবে অন্য একটি রাষ্ট্রের কাছ থেকে?

বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে খুব লজ্জা লাগছে নিজের কাছে। সরকার আমাদের ভারতের পার্মানেন্ট চাকর শ্রেনী বানিয়ে দিলো। যাই করতে চাইবো মনিব ভারতের কাছ থেকে অনুমতি নিয়া করতে হইবো আমাগো!

কমরেড মাহমুদ

About banglamail

Check Also

ভাগ্যিস তিনি হিন্দু নন, নইলে এতক্ষনে সুশীলরা নিজেদের মাথায় গু ঢেলে প্রতিবাদ জানাতো !

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার ১২ নং রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের কাঠালিয়া গ্রামের দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা মোঃ …