Thursday , October 18 2018
Home / মতামত / ছাত্রলীগের ‘নাম বললে চাকরি থাকবে না!’

ছাত্রলীগের ‘নাম বললে চাকরি থাকবে না!’

খাজা বাবা : সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে গতকাল রাত থেকে সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ন্যার্য দাবি আদায়ের আন্দোলন দমনে পুলিশের পামাপাশি আধুনিক সব অস্ত্র নিয়ে সক্রিয় দেখা যায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো দালাল মিডিয়া সংঘর্ষের ঘটনাকে সত্য-মিথ্যা যতটুকু প্রকাশ করেছে তাতে একবারও উল্লেখ করছে না ছাত্রলীগের নামটি।

সারাদিনের টেলিভিশন নিউজগুলোতে খেয়াল করলে দেখা যায়, সবাই বলছে সংঘর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রনক্ষেত্র। কিন্তু কেউ বলছে না কার সাথে কার সংঘর্ষ। এছাড়া আমরা দেখেছি রাতে হামলা চালাতে এসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ধা্ওয়া খেয়ে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে ছাত্রলীগ সভাপতি বদরুল আলম সোহাগ। এই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলেও দেখা যায়নি কোনো টেলিভিশনে। টেলিভিশন লাইভগুলোতে রিপোর্টারদের দেখা যাচ্ছে মিথ্যা বলতে বলতে হয়রান হয়ে যেতে। সবাই মনপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছে কোনোভাবেই যেন ছাত্রলীগ শব্দটি মুখ ফসকে বের হয়ে না যায়। তাদের ভীত রূপ দেখে মনে হচ্ছে ‘ছাত্রলীগের নাম বললেই যেন চাকরি চলে গেল’। টেলিভিশনগুলো এমন আচরণ করছে যে মনে হচ্ছে যেন ছাত্রলীগ দুধে ধোয়া তুলসী পাতা। কিন্তু আসলে কি তাই?

আমাদের দালাল মিডিয়া শুধু সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগকে দুধে ধোয়া তুলসী পাতা বানিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। বরং তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের নানাভাবে দায়ী করে নিউজ করেছে। এরা বিরোধী রাজনৈতিক মতগুলোর বিপক্ষে নিউজ করতে করতে ভূলেই গেছে যে এই আন্দোলনকারীরা তাদেরই নিয়মিত দর্শক। সব ভুলে তারা আগামীর দেশের নেতৃত্বের কারিগর তরুণদের নিয়ে নানা প্রপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে। যা তাদেরকে জাতির কাছে প্রতিষ্ঠিত বেইমানে রূপান্তরিত করে দিচ্ছে।

শুধু কোটা বিরোধী আন্দোলনই নয়। ইদানিং দেথা যায় ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হলেও মিডিয়া হেডলাইন করে ‘রাজধানীতে প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত’। এসব নিউজ দেখে ইচ্ছে করে ওই টিভির মালিককে গিয়ে নিউজ কাকে বলে কত প্রকার ও কি কি শিখিয়ে দিয়ে আসতে। ইচ্ছে করে গিয়ে জিজ্ঞেস করি কাদের দুপক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত ‘জ্বীনদের’? খুব জিজ্ঞেস করতে মন চায় ছাত্রলীগ নামের সন্ত্রাসীদের প্রতি আপনাদের এত টান কেন? এরাতো জঙ্গিদের চেয়েও বেশি বড় জঙ্গি। মিডিয়া মালিকরা এসব জঙ্গিবাদী কার্যক্রম আড়াল করে এদেরকে জঙ্গিাবদে উৎসাহ দিচ্ছে। একদিন এর জবাব এদের দিতেই হবে। ইতিহাসের আস্তকেুড়ে নিক্ষিপ্ত হতে হবে এসব হলুদ সাংবাদিকদের।

সূত্র : আলাপন ব্লগ

About banglamail

Check Also

জামায়াতের গড়ে ১০% এর কাছাকাছি ভোট নির্বাচনের ফলাফলের ব​ড় প্রভাবক হবে !

কারো এ, বি, সি প্ল্যান বুঝিনা, কিছু সরল কথা বুঝি। ১। হাসিনার জন্য যে/যারা যে …