Friday , July 20 2018
Home / আন্তর্জাতিক / সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাজ্য সম্মলিতি পেশাজীবী পরিষদের সেমিনার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে যুক্তরাজ্য সম্মলিতি পেশাজীবী পরিষদের সেমিনার

নজিস্ব প্রতনিধি: বিএনপির চেয়ারপারসন ও বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত মুক্তি দাবি করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্য।

রোববার রাতে লন্ডন স্কুল অব কমার্স এন্ড আইটি’র অডিটোরিয়ামে ‘কারাবন্দি খালেদা জিয়া ও বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যত’ শীর্ষক এক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদশে সম্মলিতি পশোজীবী পরষিদ যুক্তরাজ্যরে আহ্বায়ক ড. কে এম মালিক এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব ব্যারিস্টার তারিক বিন আজিজ
প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতির উপদেষ্টা মোখলেছুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক মাহিদুর রহমান ও যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক।
প্রধানবক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ যুক্তরাজ্যের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক নসরুল্লাহ খান জুনায়েদ।


সেমিনারে বক্তারা বলেন,খালেদা জিয়া বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী এবং তিনি বাংলাদেশের তিন তিনবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।তিনি আজ কারাগারে।খালেদা জিয়া গণতন্ত্রের জন্য, বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য তিনি জীবনের বেশির ভাগ সময় সংগ্রাম করেছেন।রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বর্শবর্তী হয়ে এক নিষ্ঠুর অবিচারের শিকার।তিনি বলেন,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ঘিরে মনে হয় সরকার এক ভয়াল চক্রান্তজাল বুনছে। জরাজীর্ণ ও পরিত্যক্ত কারাগারে তাঁকে দীর্ঘদিন বন্দি করে রাখার অশুভ নীলনকশার আলামত দেখা যাচ্ছে।বেগম খালেদা জিয়াকে আইনি প্রক্রিয়ায় মুক্ত করতে সরকার বাধা দিচ্ছে। বহুত্ত্ববাদ দেশ থেকে ঝেটিয়ে একক কর্তৃত্বের শাসন প্রলম্বিত করার জন্যই গণতন্ত্রকে চূড়ান্তভাবে সমাহিত করে ফেলতেই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি করে রাখা হয়েছে।দেশনেত্রীকে এভাবে বন্দি করে রাখার একটাই উদ্দেশ্য গণতন্ত্রকে চূড়ান্তভাবে কবর দিয়ে দেয়া।কারাবন্দী খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তির জন্য আর্ন্তজাতিক ফোরাম ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তারা অবলিম্বে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করেন।


পেশাজীবী নেতারা বলেন, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট্রের অর্থ লেনদেনে বিএনপি চেয়ারর্পাসন বেগম খালদো জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কোন ধরণের সম্পৃক্ততা দেখাতে পারেনি আদালত।কিন্তু বেগম খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের ও তারেক রহমানকে দশ বছররে কারাদন্ড দেওয়া হলো। এই ঘটনার মাধ্যমে আইনের  প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থার জায়গাটি ধ্বংস করে দেয়া হয়েছে বলে পেশাজীবীরা মনে করেন।

তাদের মতে,আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারি দল আওয়ামী লীগের এজেন্ডা  অনুযায়ী বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।বেগম খালেদা জিয়ার এই কারাবন্দীত্ব বাংলাদশেরে গণতন্ত্রকে নতুনভাবে সংকটে ফেলেছে।প্রিয় বাংলাদেশকে র্সাবভৌমত্বহীন করার চক্রান্তকে আরেকধাপ এগিয়ে নিতে স্বাধীনতা ও র্সাবভৌমত্বের প্রতীক জিয়া পরিবারকে জেল-জুলুমের মুখোমুখি করা হয়েছে দাবি করে উদ্বেগ জানান সম্মেলিত পেশাজীবী পরিষদ নেতারা।

আরো বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক আখতার মাহমুদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু,সাংবাদিক মাহবুবুর রহমান,যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শাহিন আহমেদ,সাংবাদিক মেজবাহ উল ইসলাম বাবু,ড. আব্দুস সবুর,কামরুল ইসলাম,সাবেক ছাত্রনেতা মাছুম বিল্লাহ,মো:মাহবুবুর রহমান,সরফরাজ সরফু,কমিউনিটি লিডার মাইনুদ্দিন আহমেদ,এমদাদ হোসেন খান,আল ফেরদৌস,ইঞ্জিনিয়ার জাকিরুল ইসলাম কাবেরী,একাউনটেন্ট মামুন ভূইয়া,ডা. সুমন আহমেদ,যুবদলের সহ সভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাসিত,সাবেক ছাত্রনেতা এস এম বদরুল ইসলাম,মাওলানা শামীম আহমেদ,মনিরুজ্জামান মানিক,যুব দলের দপ্তর সম্পাদক মোশারফ হোসাইন,যুগ্ন সম্পাদক সুহেদুল হাসান,স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন সম্পাদক জিয়াউর রহমান,জাহাঙ্গীর আলম শিমু,যুব দলের আইন সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ,সাবেক ছাত্র নেতা পারভেজ আহমেদ রাকিব,মইনুল ইসলাম ,মহসিন মিয়া,শহীদুল্লাহ,হাদিউল ইসলাম,বেলাল হোসাইন,আল ফেরদৌস,তারেকুল ইসলাম ভূইয়াঁ, সেভ বিএনপি সেভ বাংলাদেশ)এর মুহাম্মদ সজীব ও মনসুর হোসেন , জামাল হোসেন প্রমুখ।


বক্তারা আরো বলেন, কেউ বাংলাদেশে  চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের  আন্দোলনের পক্ষে কথা বললেই  তাকে গ্রফেতার করে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার এক স্বৈরাচারী চালু করেছে বর্তমান শাসক গোষ্ঠী।হামলা-মামলা এবং কারান্তরীণ করে গণতন্ত্র মুক্তরি আন্দোলনকে ব্যাহত করা যাবে না বলে তারা হুশয়িারি দেন।

বেগম খালেদা জিয়াকে যে কথিত র্দুনীতি মামলায় জেল দেয়া হয়েছে তাতে প্রকৃতপক্ষে কোনো অর্থ তছরূপের প্রমাণ মেলেনি বলে দাবি করেন পেশাজীবী নেতারা।তারা বলনে,ব্যাংকের  টাকা ব্যাংকেই আছে।শুধু একটি অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য অ্যাকাউন্টে গেছে।এসব একাউন্টের সাথে বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কোনো সর্ম্পক নেই।প্রধানমন্ত্রীর অফিসের নামেও কোনো তহবিল সংগ্রহ করা হয়নি।এটা ছিল পুরোপুরি ট্রাস্ট কেন্দ্রিক।
প্রচারে: মনসুর হোসেন(সেভ বিএনপি সেভ বাংলাদেশ)

About mass9191

Check Also

মুসলিম বিশ্বের গর্ব নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় আহমেদ মুসা।। উদয়মান ফুটবল তারকা(ভিডিও সহ)

মুসলিম বিশ্বের গর্ব নাইজেরিয়ান খেলোয়াড় আহমেদ মুসা।। উদয়মান ফুটবল তারকা(ভিডিও সহ) Related