Tuesday , October 23 2018
Home / অন্যান্য / চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নির্ভর সুচিন্তা বাংলাদেশ নিষ্প্রভ আলোহীন:

চট্টগ্রামে ছাত্রলীগ নির্ভর সুচিন্তা বাংলাদেশ নিষ্প্রভ আলোহীন:

নিজস্ব প্রতিবেদক:

চট্টগ্রামে সুচিন্তা বাংলাদেশ আয়োজনে “বঙ্গবন্ধু ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ “শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আমন্ত্রিত অতিথি ও আওয়ামী লীগ এর নেতাদের জনসমর্থন হিসেবে গুটি কয়েক ছাত্রলীগ কর্মী ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কোন কলেজ শাখার সুচিন্তার কাউকে দেখা যায়নি।

বিষয়টি আমন্ত্রিত অতিথিরা লক্ষ্য করে কিছু না বল্লেও দর্শক সারিতে বসা শিক্ষক ও সাংবাদিকেরা কানাঘুষা করতে শোনা যায়, সুচিন্তা এখন ছাত্রলীগ নির্ভর পড়েছে।

যুব লীগ ও ছাত্রলীগ ছাড়া যেন অনেকটা নির্জীব নিঃপ্রাণ সুচিন্তার হাহাকার।

গতকাল সোমবার ১৯ শে মার্চ বিকেলে নগরীর মুসলিম হলে সুচিন্তার চট্টগ্রাম বিষয়ক সমন্বয়ক এড: জিনাত সোহানা চৌধুরীর সভাপতিত্ব শুরু করা হলেও দর্শক ছিলো নগন্য।

অথচ এতে উপস্থিত ছিলেন, সংরক্ষিত মহিলা এমপি ওয়াসিকা আয়েশা খান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল,সুচিন্তা চট্টগ্রাম বিভাগের উপদেষ্টা স্থপতি আশিক ইমরান,এসএম আবু তৈয়ব।

এদিকে শুরুতেই বিকেল ৩টায় মাত্র ২০/২৫ জন অতিথি নিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করতে বাধ্য হন সভাপতি জিনাত।

কেননা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত তেমন কোন সুচিন্তার কর্মী বা সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কাউকে দেখা যায়নি।

তবে ৩০মিনিট পরে মহানগর ছাত্রলীগের সম্পাদক নুরুল আজিম রনি হলে প্রবেশ করলে,তার সাথে থাকা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হল পুর্ন করে দেয়।

তাতে ঘাম কমতে শুরু করে জিনাতের। নাহয় শুরু থেকে অনেকটা বিব্রত ও এদিক সেদিক চলাফেরা ও দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায় সুচিন্তার এই সমন্বয়ককে।

এমনকি তিনি তার বক্তব্যের এক পর্যায়ে,চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাদ্রাসা বা কলেজে সুচিন্তার কর্মসূচি ও জঙ্গিবাদ বিরোধী মিটিং এবং সংগঠনের কর্মী সৃষ্টি করেছে বলে উল্লেখ্য করলেও, অনুষ্টান চলাকালে কোন মাদ্রাসা বা কলেজ হতে কোন সুচিন্তার ব্যানারে মিছিল বা শিক্ষার্থীদের আগমণ চোখে পড়েনি।

পুরা অনুষ্ঠান জুড়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু নেতাকর্মী ছাড়া তেমন কাউকে লক্ষ্য করা যায়নি।

তবে গুটি কয়েক সুচিন্তার বুকলেট পরিহিত স্বেচ্চাসেবক ছেলেদের দেখা যায়। যা অতি নগন্য।

এমন ভাবে ছাত্রলীগ নির্ভর সুচিন্তা হয়ে পড়েছে রাজনৈতিক কোন সংগঠন। অথচ শুরুতেই সংগঠনের চেয়ারম্যান মোঃ আরাফাত রহমান দাবি করেছিলো,সুচিন্তা একমাত্র অরাজনৈতিক একটি স্বতন্ত্র সামাজিক সংগঠন।

তাহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে,চট্টগ্রামে এমন বেহালদশা কেন সুচিন্তার। এর কারণ খুঁজতে আমাদের প্রতিবেদক অনুুসন্ধানী চোখে নগরীর বিভিন্ন ছাত্রছাত্রীদের সাথে কথা বলেন।

এতে শিক্ষার্থীদের মুখ দিয়ে ওঠে এসেছে ,পুর্বে প্রথম প্রথম সুচিন্তার প্রোগাম ও দেশের জন্য কথা বলার একটি ভালো সংগঠন হিসেবে খুবই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলো সুচিন্তা। কিন্তু বর্তমানে এর পরিচালনা ও সমন্বয়হীনতার কারনে এলোমেলো হয়ে যায়।

নতুন করে কর্মী সমর্থক সুচিন্তার ব্যানারে নিয়ে আনতে ব্যর্থ হওয়ায়,চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কিছু ছেলেদের দিয়ে জোড়াতালিতে সুচিন্তার প্রোগাম সম্পন্ন করতে বাধ্য হন।।

এমনটি অভিযোগ স্বয়ং অনুষ্ঠানে আসা কিছু প্রথম সারির দর্শকের।

About banglamail

Check Also

স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার লাশ নিতে পরিবারের অস্বীকৃতি, দাফনে বাধা

সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান কে এম মোশাররফ হোসেন হত্যা মামলার প্রধান …