Thursday , October 18 2018
Home / অন্যান্য / “উইমেন চ্যাপ্টারের” কথিত নারীবাদিদের এ কেমন মুখের ভাষা ?!

“উইমেন চ্যাপ্টারের” কথিত নারীবাদিদের এ কেমন মুখের ভাষা ?!

সামপ্রতিক কালে বাংলাদেশে নারীবাদের বহুল আলোচিত প্রপঞ্চটি হচ্ছে “নারীর ক্ষমতায়ন”। কেবল মানবেতর অবস্থা থেকে নারীর মুক্তি বা নারী উন্নয়নের জন্যই নয়, নারীর ক্ষমতায়নকে এখন সামাজিক উন্নয়নের সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। “নারীর ক্ষমতায়ন” এর ব্যপ্তি ও স্বরুপ বিভিন্ন রকমের হতে পারে। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, মনসত্মাত্তি্বক ইত্যাদি নানা স্তরে এর প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়। দু’জন মহিলার শীর্ষ বিন্দুতে অবস্থান স্বভাবতই এই ধারণার জন্ম দেয় যে, বাংলাদেশে ব্যাপক পরিসরে নারীরা ক্ষমতা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। কিন্তু বাসত্মবতা বিশেস্নষণে যে চিএ বেরিয়ে আসে তা পুরোপুরি বিপরীত। বরং প্রত্যেক পরিসরে পেছনে পড়ে আছে। তাই বর্তমানে বাংলাদেশের নারীবাদীরা যে আন্দোলন শুরু করেছে তার অর্থটা একটু ব্যাপক। তবে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের নারীবাদী আন্দোলনের প্রভাবও রয়েছে এদেশে। তারা তাদের বিশ্বাস ও আদর্শ দ্বারাও ব্যাপকভাবে প্রভাবিত।

Sam Rahman নামে একজন ডাক্তার সাম্প্রতিক সম​য়ে নারীদের বিপথগামী করার প্র​য়াসে পরিচালিত উইমেন চ্যাপ্টার এর বিরুদ্ধে লিখলে উইমেন চ্যাপ্টারের কথিত নারীবাদিরা লেখকে সারাহাহ মেসেজে অশ্লীল গালিগালাজ ও হুমকি প্রদান করে। লেখকের সেই পোষ্ট নিম্নরুপ

বাংলাদেশের মহিলাদের মেনোপজ বা মাসিক বন্ধ হয় গড়ে ৩৮-৪৫ বছরের মাঝে। এবং এরা তেমন ফার্টাইল ও না। এটা তিতা সত্য। ভেজাল খাবার আমাদের মাতৃত্বের বারোটা বাজায় দিসে। যাইহোক, কথা সে প্রসংগে না। কথা আরো গভীর বিষয়ে। মেনোপজের কথা বললাম কারণ এর পর মহিলাদের শারিরীক আকর্ষণ কমে যায়।

এখন আসি আমাদের সমাজের বিখ্যাত নারীবাদী ব্যক্তিত্বের বিষয়ে। খেয়াল করে দেখেন, এই যে যারা উইমেন চ্যাপ্টার সহ বিভিন্ন জায়গায় নারীবাদী লেখা লিখে যাচ্ছে, এদের বয়স কত? কম বেশী সবাই ত্রিশের উর্ধে। এতোদিন শরীর বেচে খাইলেও  এখন তো বাজার পড়ে গেসে, মার্কেট কেমনে গরম রাখবে? পতিতালয়ের বুড়ি বেশ্যা বয়স হইলে মাসী হয়, আর অনলাইন নারীবাদীরা বুড়ি হইলে লেখে অবৈধ যৌণ সম্পর্ক উতসাহিত করতে, নইলে এদের আন্ডারে যে থোড়া বহুত কাস্টোমার আছে, এদের কাছ থেকে পয়সা আসবে না!

আমি মনেহয় বছর খানেক হবে, তীব্রভাবে উইমেন্স চ্যাপ্টারের বিরোধিতা করে আসছিলাম। অনেক অনলাইন সেলেব আমাকে এজন্য আনফ্রাংস করসেন। আমি রাগ করিনি। একটা মজার কথা বলি, আমাদের ছোট বেলায় একটা গল্পের মোরাল ছিল অল্প বিদ্যা ভয়ংকরী। এইসব সামান্য ত্রিশোর্ধ মহিলাদের লেখা আমরা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি। প্রথাবিরোধী লেখা গুলো খুব উতসাহ নিয়ে শেয়ার করি। একবারো ভেবে দেখেছেন, এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কি? এদের জীবনবোধ কতখানি? ত্রিশ পয়ত্রিশ বছরেই এরা হাজার বছরের সংস্কৃতি, প্রথা আর চলবে না, সে সম্পর্কে নাভি পর্যন্ত গভীর জ্ঞান দেয়! এদের পড়াশোনার দৌড় খুবি কম, সারাদিন কাস্টোমারের সেবা করতে হয়, পড়ার সময় কখন? অথচ লেখার ভাব দেখলে মনে হবে, ফেমিনিজম এর উপর আমেরিকান ডিগ্রী নিয়াসছে!

অধিকাংশ নারীবাদী কে দেখবেন, অতিরিক্ত ব্যবসার ছাপ পড়েছে চেহারায়। ভয়ংকর কুশ্রী দেখতে। না পাইসে স্বামীর সোহাগ, না পাইসে সংসার! সারা জীবন বয়ফ্রেন্ড, পার্টনার এদের হাত ধরে ঘুরতে ঘুরতে শেষবয়সে হিট কামানোর ধান্দা হইসে অনলাইন! বর্তমানে ফেসবুকে যে কয়টা ইয়াং নারীবাদী মেয়ে আছে, এগুলারো একি অবস্থা, আগে চেহারা খারাপ হইলে বাপ মা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বানাইতো মেয়েদের, যাতে ভালো বিয়া হয়, এখন মেয়ে ভার্সিটি ভর্তি হয়েই সেই মেয়েটা দেখে নারীবাদী হইলেই তো একাধিক বয়ফ্রেন্ড, একাধিক কাস্টোমার! দেখো, তুমি কত সুন্দর, তোমার বয়ফ্রেন্ড নাই, আমি দেখতে ভালো না, অথচ ছেলেরা পায়ে এসে পড়ছে! সমস্যা হইলো, দুই দিনের এই ইয়াং নারীবাদী দের মাথায় ঢোকে না, ছেলেরা শুধু “কাজ” করার জন্যই তাদের পিছে পিছে ঘোরে, কারণ ছেলেরা খুব ভাল করেই বোঝে, নারীবাদী নিয়ে সংসার হয় না, কিন্তু নারীবাদীর কাছে এক্সেস পাওয়া সহজ

এই মধ্যবয়সী মাসিক বন্ধপ্রায় মহিলাদের ব্যক্তিগত জীবনের অসুখী মনোভাব, এবং সেই থেকে তাদের ম্যানিয়াকে পরিণত হয়ে পুরুষ বিদ্বেষী হয়ে ওঠা একটা তীব্র মানসিক রোগ, আর সেটা কে প্রশ্রয় দিচ্ছে উইমেন চ্যাপ্টার সহ বিভিন্ন অনলাইন পোদঁরিকা। এই উইমেন চ্যাপ্টার এর লেখিকারা কিছুদিন আগে সমকামিতা সমর্থন দিয়েছে। আমি তখনো বলেছি, এখনো বলসি, আজকে তারা পরকীয়া সমর্থন দেয়, কিছু দিন পর তারা বলবে রক্ত সম্পর্কীয় মানুষের সাথে যৌনতার অধিকারের কথা (ইনসেস্ট), শিশুকামিতাকে হালাল করার কথা! এরা মানসিক রোগী, এদের কে মানসিক পুনর্বাসন করা হোক!

এরা ভুলে যায়, বয়স শেষ হয়ে গেলে তসলিমাকেও বিশ্বের অন্যতম বৃহত সেক্যুলার কান্ট্রি ইন্ডিয়াতে জুতার বাড়ি খেতে হয়েছে, জায়গায় বেজায়গায় দৌড়ানি খেয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে অনলাইনে লিখে কান্না করতে হয়েছে! অবশ্য ইদানীং ফেসবুকের কল্যাণে ইয়াং নারীবাদী বেশ আছে, সিফিলিসে আক্রান্ত মাঝবয়সী মহিলাদের কাছে কেউ তেমন ধর্ণা দেয়না!

About banglamail

Check Also

বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েও অসুস্থদের ফ্রি চিকিৎসা দিচ্ছেন জামায়াত নেতা ডাঃ আনোয়ারুল আজিম

জামায়াত মনোনীত লক্ষীপুর-৩ সদর আসনের এমপি প্রার্থী জনাব ডাঃ আনোয়ারুল আজিম সাহেব হাজির পাড়া ইউনিয়নে …