Saturday , May 26 2018
Home / আলোচিত সংবাদ / মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগ

মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার ট্যাক্স ফাঁকির অভিযোগ

কম্পিউটার কীবোর্ড হার্ডওয়্যারে বিজয়ের লে-আউট ছাপানোর মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে ট্যাক্স ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে সাম্প্রতিক মন্ত্রী পরিষদে যোগ হওয়া ট্যাকনোক্রেট মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের বিরুদ্ধে। সেই সাথে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে ৫ কোটি টাকার বিজয় একুশে বিক্রির পরিকল্পনার কথা ফাঁস হওয়ায় দেশ-বিদেশে মন্ত্রীর যোগ্যতা নিয়েও সমালোচনার ঝড় বইছে। এদিকে মন্ত্রণালয়ে বসেই সরকারী সকল অফিসে তার ‘বিজয় একুশে’ বিক্রির মহা পরিকল্পনা করেছেন বলে সূত্রে জানা গেছে।

জানা যায়, নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল ১০ হাজার ল্যাপটপে বিজয় একুশে সফটওয়ার ব্যবহারের জন্য ৫ কোটি টাকার ভাউচার দিয়েছিলেন বর্তমান প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।

জাতীয় পরিচয়পত্রে ডাটা এন্ট্রি, ছবি তোলা, আঙুলের ছাপ সংরণ করা এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে বাংলা লিখার জন্য বিজয় একুশে সফটওয়ার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করতে প্রভাবশালীদের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের ওপর চাপ দেন মোস্তফা জব্বার। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে ইসির প্রকল্পের দায়িত্ব প্রাপ্ত সংস্থা ইউএনডিপি যথারীতি মোস্তফা জব্বারের সাথে যোগাযোগও করেন।

বাংলা ভাষাকে পুজি করে ঝানু ব্যবসায়ী বর্তমান তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার নির্বাচন কমিশনকে তাদের অফিসিয়াল কাজে বিজয় একুশের প্রয়োজনীয়তা দেখান। মোস্তফা জব্বার যুক্তি দেখান, ল্যাপটপে বাংলা ভাষায় লেখার জন্য বিজয়ই একমাত্র সফটওয়্যার। তৎকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের প্রকল্পের কাজের জন্য ১০ হাজার ল্যাপটপের জন্য ইউএনডিপি মোস্তফা জব্বারের কাছ থেকে বিজয় একুশে ক্রয়ের জন্য তাদের মূল্য কোট দিতে বললেন। দশ হাজার ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে বাংলায় লেখার জন্য দশ হাজার বিজয় একুশের (প্রতিটা বিজয়ের সাইজ ২৩৭ মেগাবাইট) লাইসেন্স বাবদ পাঁচ হাজার করে মোট ৫ কোটি টাকার মূল্য কোট করেন মোস্তফা জব্বার। প্রতিটা বিজয় একুশের লাইসেন্স মূল্য পাঁচ হাজার টাকা হলে দশ হাজার লাইসেন্স কপির দাম পড়ে (৫০,০০০০০০.০০) পাঁচ কোটি টাকা।

কিন্তু নির্বাচন কমিশন আভ্যন্তরিনভাবে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, বাংলা লেখার জন্য সফটওয়ার ‘অভ্র’ একদম বিনা মূল্যে পাওয়া যায়। আর তখন থেকেই নির্বাচন কমিশন তাদরে কার্যক্রমকে স্বচ্ছ দেখাতে অফিসিয়ালভাবে অভ্র ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন। নির্বাচন কমিশন মোস্তফা জব্বারের মূল্য কোট প্রত্যাহার করলে মোস্তফা জব্বার ‘অভ্র’ এর বিরুদ্ধে পাইরেসি, হ্যাকিং,চুরি করা সফটওয়ার এইসব অভিযোগ তুলেন। ‘অভ্র’ এর জনক মেহেদী হাসান ৫০ মিলিয়ন টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি করেছিল বলে বিভিন্ন মাধ্যমে অভিযোগও তুলছিলেন মোস্তফা জব্বার। এক পর্যায়ে অভ্র সফটওয়্যারের জনক মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে মামলার হুমকিও দেখিয়েছিলেন।

ফেসবুকে তৎকালীন সময়ে এক ফেইসবুক ব্যবহারকারীর প্রশ্নের উত্তরে মোস্তফা জব্বার বলছিলেন, ‘অভ্র’ এর জনক মেহেদী হাসান তার ৫০ মিলিয়ন টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি সাধন করেছেন। তার কমেন্টসটি ছিল এমন ” Ó ÒWhen you support a pirated product & when you use that who are you? Look at the law and define yourself. If you are hurt by mp3, why I am not hurt by my patent? You know AVRO has killed my 50 million taka business of Election Commission. What I do to stop piracy is known to almost everybody who follows the track. Do not make comments on elders if you are not sure about his/her activities. I am not debating on AVRO-I am just asking you to read the laws of the land mentioned in my earlier mail….

About banglamail71

Check Also

পাগলেও জানে আওয়ামীলীগ কথা দিয়ে কথা রাখে না।।(ভিডিও সহ)

পাগলেও জানে আওয়ামীলীগ কথা দিয়ে কথা রাখে না।।(ভিডিও সহ) পাগলেও জানে আওয়ামীলীগ কথা দিয়ে কথা …