Monday , May 21 2018
Home / আলোচিত সংবাদ / নারীবাদীদের কাজ ‘পুরুষ জাতি শ্রেষ্ঠ জাতি’ তা প্রমাণ করা !

নারীবাদীদের কাজ ‘পুরুষ জাতি শ্রেষ্ঠ জাতি’ তা প্রমাণ করা !

নারীবাদীরা সব সময় এমন কিছু করতে চায় যা পুরুষরা করে। এর দ্বারা কিন্তু প্রমাণ হয়- নারীবাদীরা নিজেরাই প্রচার করছে পুরুষরা শ্রেষ্ঠ, যদি শ্রেষ্ঠ-ই না হয়, তবে তারা পুরুষের মত হতে চাইবে কেন ?

যেমন:

১) পুরুষরা সিগেটের খায়, এখন নারীবাদীরা সিগেরেট খেতে বলছে ।

(বি:দ্র: আমি নারী-পুরুষ উভয়ের সিগেরেট খাওয়ার বিরোধী। ব্যক্তিগত ভাবে সিগেরেট খাওয়া তো দূরের কথা, সিগেরেটের গন্ধও আমি সহ্য করতে পারি না, দম বন্ধ হয়ে যায়।)

২) অনেক পুরুষ রাস্তায় দাড়িয়ে প্রস্রাব করে, এটা দেখে নারীবাদীরাও দাড়িয়ে প্রস্রাব করার যন্ত্র আবিষ্কার করে, সেটা লাগিয়ে পুরুষের মত দাড়িয়ে প্রস্রাব করে। (http://ebay.to/2D3J2Ju)

(বি: দ্র: নারী-পুরুষ কেউ দাড়িয়ে প্রস্রাব করুক এটা আমি পছন্দ করি না, এবং সেটা স্বাস্থ্য সম্মতও নয়। তবে হিন্দু ধর্মে নারীরা দাড়িয়ে প্রস্রাব করে)

৩) নারীবাদীরা পুরুষের মত বাইরে কাজ করতে চায়। চাকুরী করতে চায়, ইনকাম করতে চায়।

একবার খবরে দেখেছিলাম-

ইন্দোনেশিয়া অথবা মালয়েশিয়ার নারীরা নাকি বাংলাদেশী প্রবাসী পুরুষদের খুব পছন্দ করে। বিয়ে করতে চায়। কারণ হলো- ওদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। মেয়েরাই ইনকাম করে, পুরুষ ঘরে বসে খায়। এতে নারীদের অনেক কষ্ট। তারা বাংলাদেশের পুরুষদের খুব ভালো বলে। কারণ তারা এত কষ্ট করে স্ত্রীর জন্য ইনকাম করে আর বাড়িতে পাঠায়। এজন্য তারা বাংলাদেশী ছেলেদের বিয়ে করতে চায়, যেন ঘরে বসে খেতে পারে। বাংলাদেশে যে সব নারীবাদী (যদিও বেশিরভাগ নারীবাদী বিদেশ থেকে লেখালেখি করে), নারীদের ঘরের বাইরে কাজ করার পক্ষপাতি, আদৌ তারা নারীদের ভালো চায়, নাকি তাদের আরামের জীবন নষ্ট করে কষ্টের জীবনের দিকে ঢেলে দিতে চায় সেটা যাচাই করা উচিত। কারণ বাহিরে কাজ করে ইনকাম করা কখনই আনন্দ বা সুখকর নয়।

নারীবাদীরা যখন পুরুষের মত হতে চায়, তারমানে নারীরা পুরুষকে শ্রেষ্ঠ মনে করে।কিন্তু নারীবাদীরা যদি নারী জাতিকে শ্রেষ্ঠ মনে করতো, তখন নারী জাতির স্বকীয় বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ে গর্ববোধ করতো এবং পুরুষকে আহবান করতো “পারলে এমন হও দেখি!”

যেমন-

ক) একজন নারী তার গর্ভে সন্তান ধারণ করতে পারে, নারীর মাধ্যমে সমস্ত প্রাণিজগত পৃথিবীতে আসে। কোন পুরুষ হাজার চেষ্টা করেও সেটা পারবে না। এমনকি সন্তান জন্ম দেয়ার পর সেই সন্তানের খাবারও মায়ের কাছে আসে, পুরুষের কাছে আসে না। সে দিক থেকে নারী জাতি অনন্য।

খ) নারী জাতির সাথে ‘মমতা’ শব্দটা যোগ আছে। একজন নারী যতটুকু মমতাময়ী হতে পারে, পুরুষ সেটা পারে না। সন্তান লালন-পালনের জন্য এই মমতার বিকল্প নাই। নারীবাদীদের উচিত পুরুষদের আহবান করা- “পারলে তোমরা নারীর মত মমতাময়ী হয়ে দেখাও দেখি!”

(হয়ত বলতে পারেন- “নারীর মমতা থাকলেও, পুরুষের আছে শক্তি।”, আমি বলবো- শক্তিতো মেশিন-কলকারাখানাও আছে। কিন্তু মেশিনের মধ্যে তো মমতা নাই।)

গ) “মায়ের হাতে রান্না, আহ কি স্বাদ !” রান্না করা নারীদের বিশেষ গুন। পুরুষ চেষ্টা করলে রান্না করতে পারে, কিন্তু নারী জাতির মত হবে না নিশ্চয়ই। খাদ্যগ্রহণ মানুষের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, আর তার নিয়ন্ত্রণ নারী জাতির হাতে। নারীবাদীদের বরঞ্চ পুরুষদের আহবান করা উচিত- “পারলে নারীদের মত ভালো রান্না করে দেখাও তো”।

About banglamail71

Check Also

পতাকার বদলে চাটাই মুড়িয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গার্ড অব অনার! Related