Friday , October 19 2018
Home / আলোচিত সংবাদ / প্রতিহিংসার স্বীকার খালেদা জিয়া: এ সপ্তাহে ক্যাঙ্গারু কোর্টে যেতে হবে ৫ দিন

প্রতিহিংসার স্বীকার খালেদা জিয়া: এ সপ্তাহে ক্যাঙ্গারু কোর্টে যেতে হবে ৫ দিন

ব্যাংক ডাকাত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার রোষানলে পড়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।বিচারের নামে চলছে অবিচার। দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রীর ওপর রীতিমত নজিরবিহীন নির্যাতন চালানো হচ্ছে।শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের দলীয় ক্যাডার অবৈধ আইন সচিব পিস্তল দুলালকে দিয়ে সম্পুর্ণ মিথ্যা মামলা সাজিয়ে খালেদা জিয়াকে শারিরিক এবং মানসিকভাবে ভয়ংকর নিপীড়ন করা হচ্ছে। পিস্তল হাতে বিভিন্ন বিচারকের বাসায় গিয়ে হুমকি দিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত নির্ধারণ করা শেখ হাসিনার আদরের দুলালের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ও নির্দেশায় বেগম জিয়াকে তথাকথিত বিচারের নামে ক্যাঙ্গারু কোর্টে প্রতি সপ্তাহে তিন-চার দিন করে হাজিরা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। দেশের ১৬ কোটি মানুষের সবচেয়ে প্রিয় শ্রদ্ধাভাজন তিন বারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী, বর্ষীয়ান একজন নেত্রীর বিরুদ্ধে ভুয়া মামলাযা বিচারের নামে আদালতকে ব্যবহার করে প্রহসন চলছে। শেখ হাসিনা পরিবার এবং তার অবৈধ সরকার যেখানে শত শত কোটি টাকা দুর্নীতি ও পাচারের সঙ্গে জড়িত সেখানে মিথ্যা একটি মামলায় গেলো সপ্তাহে খালেদা জিয়াকে গেলো সপ্তাহে তিনবার আদালতে উপস্থিত হতে বাধ্য করা হয়েছে।

আবার চলতি সপ্তাহের ৭ দিনের মধ্যে ৫ দিনই খালেদা জিয়াকে শেখ হাসিনার এই ক্যাঙ্গারু কোর্টে হাজির থাকতে আদেশ জারি করেছে আদালত। আদালটের এদেশে বলা হয়েছে বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী ১৫, ১৬, ১৭, ১৮ এবং ২১ জানুয়ারী আদালতে হাজির থাকতে হবে। এভাবে প্রতিদিন আদালতে হাজিরা দিতে বাধ্য করার ঘটনায় বিচারের নামে শেখ হাসিনার ব্যক্তি আক্রোশই স্পস্ট হয়ে উঠেছে।বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সবসমই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। শেখ হাসিনা যেখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজের নামে থাকা দুর্নীতির মামলাগুলো প্রত্যাহার করিয়ে নিয়েছেন এবং জরুরী অবস্থা চলাকালীন সময়ে মামলায় হাজিরা থেকে রেহাই পেতে বিদেশে গিয়ে পালিয়ে থেকেছেন, সেখানে বেগম খালেদা জিয়া তার উপর অন্যায় এবং মিথ্যা মামলাগুলোতেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে নিয়মিত আদালতে উপস্থিত হচ্ছেন। আইনের প্রতি বেগম খালেদা জিয়ার এই শ্রদ্ধাকে সরকার আদালতের মাধ্যমে এই বর্ষীয়ান নেত্রীকে নির্যাতনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের আদালতগুলোতে লক্ষ লক্ষ মামলা চলছে। কোন মামলার তারিখ সপ্তাহে তিনবার করে দেয়া এবং সেই তারিখে বিবাদীকে স্বশরীরে হাজিরা দিতে বাধ্য করা, অন্যথায় জামিন বাতিল করে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করার হুমকি দেয়ার মত জঘন্য দৃষ্টান্ত কেবল বেগম জিয়ার ক্ষেত্রে এখন দেখতে পাচ্ছে মানুষ। পৃথিবীর ইতিহাসে এই নজিরবিহীন ভয়াবহ ঘটনা ঘটাচ্ছে শেখ হাসিনা।শেখ হাসিনার নির্দেশনায় নিম্ন আদালতের বিচারকদের আচরণবিধি প্রনয়নের সময় উচ্চ আদালতের এখতিয়ারকে রাষ্ট্রপতির হাতে দেবার ছলে প্রকৃতপক্ষে তুলে দেয়া হয়েছে আইন সচিবের হাতে। এরপর দলীয় আইন সচিব দুলালকে দিয়ে বিচারককে প্রভাবিত করে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে বিচারের নামে নিষ্ঠুর জুলুম করা হচ্ছে। পিস্তল দুলাল কোর্টে সশরীরে উপস্থিত না থেকে নিজেই বেগম জিয়ার মামলার কলকাঠি নাড়ছে। বেগম জিয়াকে বছরব্যাপী চূড়ান্তভাবে হয়ারানি, নাজেহাল ও অপদস্ত করার জন্য ইতিমধ্যে আরো ১৪টি মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা বকশিবাজারের বিশেষ ক্যাঙ্গারু কোর্টে স্থানান্তর করা হয়েছে হাসিনার সরাসরি নির্দেশে। খালেদা জিয়াকে আদালতে প্রতিদিন ব্যস্ত রাখার জন্য এই নীলনক্সা বাস্তবায়ন করছে হাসিনা, যাতে আগামী নির্বাচনে জনগনের কাছে যেতে না পারেন তিনি। তবে বিশ্বের অন্যতম অভাবনীয় জনপ্রিয় নেত্রীর প্রতি অবৈধ সরকারের এই নির্যাতনে সারাদেশের মানুষ ফুঁসে উঠতে শুরু করেছে। ডেইলীবিডিটাইমস

About editor

Check Also

দুর্ঘটনার ওপর কারও হাত নেই – জাফর ইকবাল

আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। মাঝে মাঝেই আমি খবরের কাগজের কোনো কোনো খবর পড়ার সাহস পাই …