Thursday , October 18 2018
Home / আলোচিত সংবাদ / ‘সাজানো’ ভ্রাম্যমাণ আদালত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তলব

‘সাজানো’ ভ্রাম্যমাণ আদালত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে তলব

ফৌজদারি মামলায় পুলিশ হেফাজতে থাকা ব্যক্তিকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়ার অভিযোগ বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে নির্বাহী হাকিমসহ চারজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও লোহাগাড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও দুজন এসআইকে ২৮ জানুয়ারি আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।বিচারপতি সৈয়দ মো. দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ রোববার রুলসহ এ আদেশ দেন।

সাজানো ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়া হয়েছে—এমন দাবি করে এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ও ক্ষতিপূরণ চেয়ে মোহাম্মদ বেলাল উদ্দীন ওই রিটটি করেন। এই বেলালকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়া হয়েছিল। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

আদেশের বিষয়টি জানিয়ে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, গত ১৩ অক্টোবর রাত নয়টায় বেলালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন একটি ফৌজদারি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। পুলিশের এক জব্দ তালিকায় দেখা যায় ১৩ অক্টোবর রাত নয়টায় তাঁর কাছ থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এরপর ইউএনও পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৪ অক্টোবর দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় বেলালকে আট মাসের জেল দেন। সাজানো ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়ায় এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটটি করা হয়। রুলে ওই ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজা সাজানো বলে কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না এবং যাঁরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে রিট আবেদনকারীকে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে স্বরাষ্ট্রসচিব, লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ পাঁচ বিবাদীর কাছে। ওই পাঁচজনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

About banglamail71

Check Also

দুর্ঘটনার ওপর কারও হাত নেই – জাফর ইকবাল

আমি দুর্বল প্রকৃতির মানুষ। মাঝে মাঝেই আমি খবরের কাগজের কোনো কোনো খবর পড়ার সাহস পাই …