Monday , July 16 2018
Home / আলোচিত সংবাদ / সব দলকে ভোটে আনতে চেষ্টা চলছে: সিইসি হুদা

সব দলকে ভোটে আনতে চেষ্টা চলছে: সিইসি হুদা

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। জাতীয় নির্বাচনের আগে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে সময় বুঝে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।বিকেলে খুলনা জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেয়ার আগে গণমাধ্যমকর্মীদেরকে এ কথা জানান সিইসি।নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট এবং সমমনারা।দশম সংসদ নির্বাচন পরিচালনাকারী রকিবউদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষে গত ফেব্রুয়ারি কে এম নুরুল হুদার নেতৃত্বে নতুন কমিশনকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

নতুন কমিশন এরই মধ্যে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পথ নকশা ঘোষণা করে কাজ করছে।নাগরিক সমাজ, রাজনৈতিক দল, নারী নেত্রী, সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গেও মত বিনিময় করেছে বর্তমান কমিশন, যাদের মধ্যে বিএনপিও রয়েছে।বিএনপি বর্তমান কমিশনকে স্বাগত জানায়নি, তবে রকিবউদ্দিন কমিশনকে যে ভাষায় তারা আক্রমণ করত, সে ভাষায় এই কমিশনকে নিয়ে কথা বলছে না তারা। আবার দশম সংসদ নির্বাচনের আগের মতোই নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি জানিয়ে যাচ্ছে তারা। সরকার আবার সে দাবি মানা হবে না বলে তার অবস্তানের ঘোষণা দিয়েছে। এই অবস্থায় আগামী নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট কোনা ঘোষণা এখনও আসেনি।তবে সিইসি সব দলকে ভোটে পেতে আত্মবিশ্বাসী। তিনি বলেন, ‘সকল দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাতে অংশগ্রহণ করে সে মোতাবেক নির্বাচন কমিশন কাজ করছে।’

অন্য এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ নয়, এবং কমিশনের ওপরে কোন চাপ নেই।জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি জানিয়ে আসছে বিএনপি। এ বিষয়ে কমিশন কবে সিদ্ধান্ত নেবে-এমন প্রশ্নে সিইসি বলেন, সেটার বিষয়ে সময় বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে।এর পর সিইসি খুলনা বিভাগীয় আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ের সভাকক্ষে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব মোস্তফা ফারুক সভায় সভাপতিত্বে সভায় খুলনায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নির্বাচনী কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তবে অংশগ্রহণকারীরা কী বিষয়ে আলোচনা করেছেন, তা গণমাধ্যমে জানাতে চাননি কর্মকর্তারা।

About editor

Check Also

এমন একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ।

এমন একটা সময় ছিল যখন বাংলাদেশ ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ। ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজদ্দৌলার …