ইঞ্জিনিয়ার না হয়েও ফাটাকেষ্টরা হয় রোডস এন্ড হাইওয়ে মিনিষ্টার, কৃষির ক না জেনেও কৃষিমন্ত্রী!

এটা আমাদের দূর্ভাগ্যই বলতে হবে। এখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রী যিনি হন তিনি স্বাস্থ্য নিয়ে আজীবন এক কলম পড়াশোনা করেননি। এ সম্পর্কে কিছুই জানেন না। একজন ভালমানের ডাক্তারকে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বানানো হয়না এখানে।বুয়েট থেকে পাশ করা ব্রিলিয়ান্ট কোন ইঞ্জিনিয়ারকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়না। ইঞ্জিনিয়ার না হয়েও এখানে ফাটাকেষ্টরা হয় রোডস এন্ড হাইওয়ে মিনিষ্টার।

উচ্চ শিক্ষিত দূরদর্শী কোন শিক্ষাবিদকে শিক্ষামন্ত্রী বানানো হয়না। কোন কৃষিবিদকে কৃষিমন্ত্রী করা হয়না। যিনি মৎস ও প্রাণি সম্পদের কিছুই জানেন না তিনি হয়ে যান মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের পূর্নাংঙ্গ মন্ত্রী। ধর্ম নিয়ে যার কোন গবেষণা নাই, লেখা নাই পড়া নাই-খুঁটির জোরে দিব্যি তিনি হয়ে যাচ্ছেন ধর্মমন্ত্রী। বিদ্যুৎ নিয়ে যার নূন্যতম পূর্বপাঠ নাই তাঁকে দেয়া হচ্ছে বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব। বাফার স্টেট কী- এটা যিনি জানেন না তিনি হয়ে যান ফরেন মিনিষ্টার।

মন্ত্রনালয় চালানো মানেই তো দেশ চালানো। অথচ যিনি দেশ চালাচ্ছেন, তিনি ঐ বিষয়ে কোন পূর্বজ্ঞান থাকার প্রয়োজন বোধ করছেন না। তিনি শুধু জানেন কিভাবে বদলি সুপারিশ করতে হয়, কিভাবে পানিশমেন্ট ট্রান্সফার করতে হয়, আর দু’চার পয়সা এদিক সেদিক করে বিবি বাচ্চার একাউন্টে ঢোকানো যায়।

ব্রিলিয়ান্ট এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যাক্তিরা ক্ষমতার বাইরে। যারা মেট্রিকে থার্ড ডিভিশান, ইন্টারে রেফার্ড- তাদেরকে ধরে ধরে প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, এমপি বানানো হচ্ছে। সেই গল্প আবার আপনার সন্তানকে শোনানো হচ্ছে। নীরবে উপদেশ দেয়া হচ্ছে- ভাল লেখাপড়ার কোন দরকার নাই। তুমিও মেট্রিকে সি গ্রেড পাও, দেখবে একদিন প্রেসিডেন্ট পদ হাতছানি দিবে।

আমার ধারণা- দে আর সাইলেন্ট কিলার অব আ ন্যাশন।

Comments Us On Facebook: