ছাত্রলীগের সবাই আমার ভাই – জুনায়েদ আহমেদ পলক

তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এই বর্বরতার বিরুদ্ধে।

সিলেটের জালালাবাদ কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শাহিনের উপর শিবির ক্যাডাররা যে বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। ছাত্রলীগ বাংলাদেশের ইতিহাসে মৃত্যুঞ্জয়ী এক নাম। বারবার এই বাংলার রাজপথ ছাত্রলীগের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে।

উত্তরবঙ্গের সন্তান এবং একজন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি জামাত-শিবিরের নৃশংসতা এবং বর্বরতা সম্পর্কে আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা আছে। ২০০১-‘০৬ সাল পর্যন্ত এই শিবিরের দায়ের করা মিথ্যা মামলায় আমাকে কারাবরণ করতে হয়েছে। ১৯৯১ সালে আমার নির্বাচনী এলাকায় জামাতের এম.পি. ছিল। সেই সময় তাদের নির্মমতা, নৃশংসতা আমরা খুব কাছে থেকে দেখেছি। পার্শ্ববর্তী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস বারবার এই শিবিরের বর্বরতার শিকার হয়েছে আমার ছাত্রলীগেরা ভাইয়েরা। ফারুক, তুহিন, তাকিম, বাদশাহ সহ সারাদেশে ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মীকে প্রাণ দিতে হয়েছে, পঙ্গুত্ব বরণ করতে হয়েছে শিবিরের নৃশংস হামলায়।
শুধু ছাত্রলীগই নয়, অসাম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল রাজনীতির পক্ষে যারাই আওয়াজ তুলেছেন- তাঁরাই শিবিরের নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। এই হায়েনার দল আর কত রক্ত ঝরাবে এই বাংলার মাটিতে?
এই স্বাধীনতাবিরোধী চরম সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার এখনই সময়।

আর কোন শাহিনের রক্ত দেখতে চাই না। আসুন, ঐক্যবদ্ধভাবে এই সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে রুখে দেই। যেখানেই শিবির, সেখানেই শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলুন।

 

 

Comments Us On Facebook: