ঢাকা সিটি নির্বাচনে জামায়াত প্রার্থী দেওয়া ভুল : আব্দুল্লাহ রায়হান

আমার এলাকার মসজিদের এক ইমাম মেম্বার প্রার্থী হয়। তা নিয়ে চায়ের দোকান রাস্তা ঘাট সব জায়গা একি কথা ইমাম কেন মেম্বার প্রার্থী? ইমাম কে মসজিদের ইমামতি থেকে বাদ দাও।শেষ পর্যন্ত সেই ইমামের মেম্বার প্রার্থী নিয়ে স্বামী স্ত্রী ঝকড়া। স্বামী নেশা করে বাড়ি ফিরে ঘরের মধ্যে ইমাম কে গালি দিচ্ছে। স্ত্রী নামাজি বলে স্বামী কে বলছে হুজুর প্রার্থী হলে তোমার কি? তোমরা যার ভোট করছো সে নাকি ছোটবেলা চুরি করতো এখন বিদেশ গিয়ে টাকা রুজি করে মেম্বার প্রার্থী হয়। কিছুদিন আগেও সে পরকিয়া করতে গিয়ে ধরা খেলো তার নিয়ে এত লাফালাফি হুজুর কে নিয়ে গালাগালি।এই কথা শুনার পর স্বামী তার স্ত্রী কে মারধর করে। মারধরের পর স্ত্রী আমার কাছে বিচার দেয়। আমি যখন স্বামী কে জিগাইলাম ব্যাপার কি? সে বলে ভাইয়া বর্তমান পেক্ষাপ্টে হুজুর নির্বাচন করা উচিৎ না। হুজুর নির্বাচিত হয়ে করবে কি? এই যুগে দুষ্টলোক অনেক এদের কে শাষন করা হুজুরের পক্ষে সম্ভব?তার সব প্রশ্ন শুনে আমি বললাম মদখোর, খাঁজাখোর ওরা সমাজের মেম্বার হবে হুজুর হতে পারবেনা এই হলো আপনাদের ধারণা? সে বলে জি ভাইয়া! আমি কইলাম তোমরা যেমন চরিত্রের লোক চিন্তাভাবনা ও তেমন। হুজুর মেম্বার হলে তোমরা মদখাঁজা খেতে পারবেনা। অন্যের সম্পদ লুট করতে পারবেনা। হুজুর মেম্বার হলে গরিবের রিলিফের টাকা লুট করতে পারবেনা।
আমার কথা শুনে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠলে আমি বলি ভাই তুমি মুসলিম নাকি? উত্তরে বলে অবশ্যই। আমি কইলাম তোমার জন্মের পর আযান দিলো হুজুর নাম রাখলো হুজুর। অন্যের মেয়েকে স্ত্রী হিসাবে বৈধতা দিলো হুজুর। মৃত্যুর পরে তোমাকে কবরস্থ করবে হুজুর। তুমি যখন বিপদে পড় তখন হুজুর কে ঢেকে এনে তুমি কোরআন খতম করাও। সব কিছুতে হুজুরের দারস্থ হলেও এখন তোমার হুজুর নিয়ে আপত্তি!
এইকথা গুলি শুনার পর সে একদম চুপ করে রইলো।আজই আমি একি কথা বলি যারা ভালো মানুষ নির্বাচনে প্রার্থী দেখি মাথা নষ্ট ওরা সবাই চোর বাটপার আর খাঁজাখোর। তাই ভালো লোক নির্বাচিত হলে জনগনের টাকা লুটেপুটে খেতে পারবেনা ওরা। প্রকাশ্যে ইবটিজিং করতে পারবেনা। পরকিয়ায় ধরা খাইলে ছাড় পাবেনা।তাই ওদের ধারনা জামায়াতে ইসলামির প্রার্থী দেওয়া ভুল!

Comments Us On Facebook: