মাদ্রাসার পাঠ্যবইতে জিহাদ উঠিয়ে দিয়ে অশ্লীল মেয়েদের বিধর্মী সংস্কৃতির প্রবেশ !

শিক্ষার্থীরা যাতে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত না হয় সে জন্য মাদ্রাসার পাঠ্যবই থেকে জিহাদের পাঠ বাদ দেয়া হয়েছে। ৩৫টি পাঠ্যবই যৌক্তিক মূল্যায়ন করে নতুনরূপে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে অনেকটাই পরিশুদ্ধরূপে আসছে মাদ্রাসার বই। নতুনভাবে প্রণীত এসব বই এই শিক্ষা বর্ষে ছাত্রছাত্রীদের হাতে তুলে দেয়া হ​য়েছে ।

নতুন বিতরন করা বইতে দেখা গেছে, প্রচ্ছদে অশ্লীল মেয়েদের ছবি সম্বলিত বিধর্মীয় কালচার। এ নিয়ে সবার মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।এদিকে মাদ্রাসার পাঠ্যবইয়ে জঙ্গিবাদসহ বিতর্কিত আর কোনো পাঠ থাকলে তা পরিবর্তনে দ্রুত যাতে ব্যবস্থা নেয়া যায়, সে লক্ষ্যে একটি স্থায়ী জাতীয় কমিটি গঠিত হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে ১৫ সদস্যের একটি কমিটির সুপারিশ করা হয়েছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, স্বরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের আরও ১২ জন প্রতিনিধি ওই কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হবে। এরফলে ২৭-২৮ সদস্যের কমিটি হতে পারে। এ লক্ষ্যে কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক একেএম ছায়েফউল্যা যুগান্তরকে বলেন, ‘জঙ্গিবাদবিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শের ভিত্তিতে আমরা মাদ্রাসার কোরআন-হাদিস, আরবি ও ফিকহবিষয়ক বিভিন্ন পাঠ্যবই যৌক্তিক মূল্যায়ন করেছি। বইয়ের যেসব স্থানে বিতর্কিত পাঠ, বিশেষ করে জঙ্গিবাদে উৎসাহিত করার মতো বিষয় ছিল তা বাদ দেয়া হয়েছে। এক কথায় মাদ্রাসার পাঠ্যবই থেকে জিহাদের আড়ালে জঙ্গিবাদের পাঠের দাফন দেয়া হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতেও এসব বই দেখভালের জন্য জাতীয় কমিটি গঠিত হচ্ছে।’

Comments Us On Facebook: