বাংলাদেশে তাবলীগ জামায়াতের দুর্দশার শুরু যেখানে ..

ফরিদ উদ্দীন মাসউদের মত শাহবাগীকে তাবলীগ জামাতের উপদেষ্টা নিয়োগ দেয়াতে তাবলীগ জামাতই ক্ষতিগ্রস্থ এবং বিতর্কিত হবে ভবিষ্যতে, ফরিদ উদ্দীন মাসুদরা শাহবাগী নাস্তিদের দোসর এটা তাবলীগ জামাতকে ভুলে গেলে চলবেনা.উল্লেখ্য , দেশের ৫ শীর্ষস্থানীয় আলেমকে তাবলীগ জামাতের উপদেষ্টা মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশে তাবলীগ জামাতের মারকাজ কাকরাইলে চলমান সংকটের সমাধানকল্পে এবং তাবলিগের দাওয়াতে দ্বীনের কাজকে গতিশীল করাসহ যে কোনো ধরনের সমস্যার সমাধানে পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদানে কাজ করেবন।

গত (১৬-১১-২০১৭) সকাল ৭টায় যাত্রাবাড়ীস্থ জামিয়া মাদানিয়ায় মাদরাসায় দেশের শীর্ষস্থানীয় আলেম ও কাকরাইলের মুরুব্বীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপদেষ্টাদের মনোনীত করা হয়। বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন, তাদের মধ্যে অন্যতম- আল্লামা আশরাফ আলী, আল্লামা মাহমুদুল হাসান, আল্লামা ফরিদ উদ্দীন মাসউদের প্রতিনিধি মুফতি মোহাম্মদ আলী, মাওলানা আবদুল কুদ্দুস, মাওলানা আবদুল মালেক, মাওলানা যোবায়ের আহমদ, জনাব নাসিম ও জনাব ওয়াসিফ।

উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত ৫ আলেম হলেন, ‘কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের(বেফাক) সিনিয়র সহ-সভাপতি আল্লামা আশরাফ আলী, শোলাকিয়া ঈদগাহের খতিব আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ, মজলিসে দাওয়াতুল হকের আমির আল্লামা মাহমুদুল হাসান, বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস এবং মিরপুর মারকাযুদ দাওয়া’র আমিনুত তালিম মাওলানা আবদুল মালেক।

সম্প্রতি, গাজীপুরের টঙ্গীতে তাবলিগ জামাতের বিশ্ব ইজতেমায় দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের জিম্মাদার মাওলানা সা’দ কান্ধলভির অংশগ্রহণ ঠেকাতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী সংগঠন বেফাক (বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা) ও তাবলিগ জামাতের একাংশের নেতারা।

মাওলানা সাদের বর্তমান অবস্থানস্থল রাজধানীর কাকরাইলে তাবলিগের শুরা কার্যালয়ের সামনে ও টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠে বুধবার (১০ জানুয়ারি) বিকেল থেকেই এ অবস্থানের ঘোষণা দেন বেফাকের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস এবং সহকারী মহাসচিব মুফতি মাহফুজুল হক।

মাওলানা সাদের আগমন ঠেকাতে সকাল থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের সড়কের চত্বরে বিক্ষোভ করছিলেন বেফাক ও হেফাজতের নেতাকর্মীরা। মাওলানা সাদ থাই এয়ারওয়েজের ফ্লাইটযোগে শাহজালাল বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কাকরাইলে শুরা কার্যালয়ে চলে গেলে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সেখানে বিক্ষোভের সমাপ্তি টেনে নতুন এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। অনেকেই মনে করছেন এতদিনের শান্তিপ্রিয় তাবলীগের এহেন দুর্দশার জন্য কথিত মাওলানা ফরিদ উদ্দীন মাসউদের মত শাহবাগী দায়ী !

Comments Us On Facebook: