সম্মিলিত সভার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে সাদ সাহেবকে ইজতেমায় আনা হচ্ছে!

তাবলীগ মুরব্বী ও বাংলাদেশের উলামায়ে কিরাম-এর গৃহিত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে কাকরাইলের একক ইচ্ছায় শেষ পর্যন্ত মাওলানা সাদ সাহেবকে টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমায় আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে। ১০ জানুয়ারী বুধবার মাওলানা সাদ কান্ধলভি এবং নিজামুদ্দিনের একটি জামা‘আত বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের ফ্লাইটে যাত্রা শুরু করবেন বলে কাকরাইলের সূত্রে জানা গেছে।

মাওলানা সাদ ও নিজামুদ্দিনের জামাতের সদস্যদের বাংলাদেশ সরকার বিশেষ কূটনৈতিক ভিসা দিয়েছে। তারা এরই মধ্যে তারা বাংলাদেশগামী বিমানের টিকিটও বুকিং দিয়েছেন।

বাংলাদেশের তাবলীগের শূরা উপদেষ্টা-উলামায়ে কিরাম ও তাবলীগী মুরব্বীগণের সম্মিলিত সভার সিদ্ধান্তকে কাকরাইল সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে শর্ত পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও মাওলানা সাদ সাহেবকে ইজতেমায় আনার খবরে জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

কাকরাইলের মুরব্বী ও শূরা উপদেষ্টা-উলামাগণের দাবী অনুযায়ী, তাবলীগ জামা‘আতেকে সাদ সাহেবের মনগড়া মতবাদের পথভ্রষ্টতা থেকে রক্ষাকল্পে অবশ্যই যাবতীয় ভ্রান্ত মতবাদ থেকে খালেস তাওবা ও রুজু করে দেওবন্দ মাদরাসার আস্থা অর্জন করে সাদ সাহেব ইজতেমায় আসবেন। এ ছাড়াও শর্ত করা হয় যে, সাদ সাহেবের সেসব ভ্রান্ত মতবাদের কারণে দিল্লির নিজামুদ্দীন থেকে বের হয়ে যাওয়া মুরব্বীগণের জামা‘আতও একই সাথে আসবেন।

কিন্তু সম্প্রতি এ লক্ষ্যে তাবলীগ মুরব্বী ও উলামাগণের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিনিধি দলকে ভারতে পাঠিয়েও সেই শর্ত পূরণ করানো সম্ভব হয়নি। তাই এ অবস্থায় তাবলীগ মুরব্বী ও তাবলীগের শূরা-উলামায়ে কিরামের সভায় এ বছর মাওলানা সাদ সাহেবকে না আনার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সেই সম্মিলিত সিদ্ধান্তকে পাশ কাটিয়ে কাকরাইল কী করে সাদ সাহেবকে ইজতেমায় আনার ব্যবস্থা করছে–এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

Comments Us On Facebook: