হাতীবান্ধায় প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে বসত বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ

মো:হযরত আলী(লালমনিরহাট প্রতিনিধি): লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় মারধর করে নজরুল ইসলাম নামে একজনের বসত বাড়ি ভেঙ্গে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জবের হোসেন নামে এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় আহতরা হাতীবান্ধা হাসপাতালে চিকৎসাধীন রয়েছে। তবে এ বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হলেও তা এখনো নথিভূক্ত করেনি পুলিশ। গত ২২ ডিসেম্বর হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব বেজগ্রাম এলাকার এ ঘটনাটি ঘটেছে।

অভিযুক্তরা হলেন, পূর্ব বেজগ্রাম ৮নং ওয়ার্ডের ইদ্রিস আরীর পুত্র বকুল হোসেন, জবের হোসেন, সাদ্দাম হোসেন, জাহিদ হাসান, বকুল হোসেনর স্ত্রী সাহিদা বেগম, জবের হোসেনর স্ত্রী মনজুয়ারা বেগম ও দইখাওয়া এলাকার ওসমানের স্ত্রী মিনা বেগম। লিখিত অভিযোগ উল্লেখ আছে যে, প্রায় ৩০ বছর পূর্বে ইদ্রিস আলীর সাথে কথা বলে বসত বড়ি করে নজরুল ইসলাম। দুই বছর আগে ইদ্রিস ওই জমি বিত্রয় করতে চাইলে নজরুল দাম ঠিক করে ১লক্ষ ২০ হাজার টাকা।

এরমধ্যে নজরুল প্রথমে ৫০ হাজার ও পরবর্তিতে ৭০ হাজার টাকা ইদ্রিসকে দেয়। কিন্তু ইদ্রিস টাকা নেওয়ার পরেও নজরুলকে জমি রেজিষ্ট্রী করে না দিয়ে তার ছেলে বকুলের কাছে টাকা নিয়ে ওই জমি বিক্রয় করে দেয়। এ নিয়ে নজরুলের সাথে ইদ্রিসের বিরোধ সৃস্টি হয়। এমন অবস্থায় ২২ ডিসেম্বর ইদ্রিসের ছেলে ও ছেলের বউরা নজরুলের বাড়িতে হামলা চালিয়ে বসত বাড়ি ভেঙ্গে দেয়।

এ বিষয়ে নজরুল জানান, টাকা নিয়ে ইদ্রিস জামি না লিখে দিয়ে তার ছেলে বউকে দিয়ে আমার বসত বাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছে। তাই থানায় অভিযোগ করেছি।এ বিষয়ে অভিযুক্ত জবের হোসেন জানান, আমরা তার বসত বাড়ি ভেঙ্গে দেই নাই। তারা আমাদের জমিতে অবৈধ ভাবে বসবাস করে আসছে। এ বিষয়ে টংভাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন জানান, আমি বিষয়টি মিমাংসা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু নজরুল আসেনি।

এ বিষয়ে টংভাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জানান, আমি নজরুলকে বলেছি আইনগত ব্যবস্থা নিতে।এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিম হাসান সরদার জানান, অভিযোগ পাওয়া গেছে তবে ওই ইউনিয়নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান বিষয়টি নিয়ে মিমাংসা করতে চেয়েছে তাই মামলা নথিভুক্ত করা হয়নি।

Comments Us On Facebook: