Thursday , October 18 2018
Home / পাঠক কলাম / মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিক যৌবিক চাহিদা কতটুকু ?

মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিক যৌবিক চাহিদা কতটুকু ?

মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিক যৌবিক চাহিদা কতটুকু আমার ঠিক জানা নেই তবে ইদানিং কালের উগ্র সংস্কৃতি মেয়েদের বিপদগামী করছে । তাদের যৌবিক চাহিদা গুলোকে উজ্জিবিত করছে । আগে যেখানে মেয়েরা ছেলেদের সাথে কথা বলতে লজ্জা বোধ করতো সেখানে এখন তারা স্বেচ্ছায় বিছানায় যাচ্ছে । খুব বেশি মনের আদান প্রদান হওয়ার দরকার নেই । মোটামুটি পরিচয় হলেই হলো তারা তাদের দেহ বিলিয়ে দিচ্ছে ।

ছেলেরা যে সাধু তা কিন্তু না তারা খুব সহজেই একটি মেয়েকে বাহু ডোরে আবদ্ধ করতে পারছে এর কারণ হলো চারিদিকে যৌনতার ছড়াছড়ি । যেখানে তাকাবেন সেখানেই যৌনতা । টিভি, ইন্টারনেট, সোস্যাল মিডিয়া সবখানেই যৌনতার মহা উৎসব চলছে । যখন একটি মেয়ে বা ছেলে এই সব অবলোকন করছে তখনই সে শারীরিক চাহিদা মেটানোর জন্য এক অপরের সম্মুখীন হচ্ছে ।

গত বিশ বছর আগে আমি এমনটা দেখেনি, অন্তত তখন মেয়েরা অনেকটা শালীন ছিল । এমন উগ্র পোশাক বা এমন উগ্র জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিল না । তাদের মাঝে শালীনতা বোধটা অন্তত জাগ্রত ছিল কিন্তু আজ গোপনে প্রকাশ্যে চলছে শালীনতার অপব্যবহার । চলছে নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রতিযোগিতা । যার ফলশ্রুতিতে সংসার পরবর্তী জীবনে নেমে আসছে অমাবর্ষার কালো ছায়া ।

ছেলে এবং মেয়েদের যৌবিক চাহিদা সৃষ্টিগত সেটা অবশ্যই প্রয়োগ হবে বিবাহিত জীবনের ভালোবাসা প্রতিদান স্বরূপ কিন্তু সেটা যদি বিয়ের আগেই নষ্ট সামাজিকতায় প্রয়োগ হয়ে যায় তবে সমাজ ব্যবস্থায় নেমে আসবে কালো অধ্যায় । ভেঙে যাবে সমাজের অবকাঠামো ভেঙে যাবে পারিবারিক সুখ স্বাচ্ছন্দ ।

ছেলে এবং মেয়েদের যৌবিক চাহিদা নিয়ন্ত্রণের একটাই উপায় সেটা হলো ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা এবং সময় মতো ছেলে এবং মেয়েদের বিয়ে দেওয়া কিন্তু সেটা আর হয়ে উঠছে না তবে অভিভাবকদের এখন তাদের সন্তানদের নিয়ে ভাবনার সময় হয়েছে । যদি তাদের সন্তানদের ধর্মীয় অনুশাসনে অভ্যস্ত না করে এবং সময় মতো তাদের বিয়ে না দেয় তবে ছেলে এবং মেয়েরা বিপদ গামী হবে । বিশেষ করে মেয়েরা উচ্ছন্নে যাবে সবচেয়ে বেশি কারণ মেয়েরা চিকন চালাক হলেও অবেগ বা উগ্র শারীরিক চাহিদায় তারা কাপড় খুলে বোকামী করে বসে এবং প্রতারণার শিকার হয়

Mohiuddin

About banglamail

Check Also

বাসার ভাড়াটিয়াকে জিম্মি করে তিন কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছেন শেখ রেহানা !

আমরা কেউই শতভাগ ফেরেস্তা না, মানুষ। তাই ভূল করি, পাপ করি! কিন্তু কেউ একজন বলতে …