Wednesday , September 19 2018
Home / মুক্তমত / ড কামালের খুঁটির জোর তার মেয়েজামাই ইহুদিদের এজেন্ট ডেভিড বার্গম্যান !

ড কামালের খুঁটির জোর তার মেয়েজামাই ইহুদিদের এজেন্ট ডেভিড বার্গম্যান !

শোনা কথা। আমি দেখিনি। ১৯৯৪ সালে অধ্যাপক গোলাম আযম সাহেবের নাগরিকত্ব বাতিলের মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের পরাজয়ের পরে সাংবাদিকেরা ড কামালের কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে উনি ক্ষেপে গিয়ে শার্ট খুলে নিজের সাদা লোমশ বুক দেখিয়ে দেন। সেখানে ড কামালের ম্যাটেরিয়াল সাপোর্ট ছিলো। যদিও এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন এটর্নি জেনারেল আমিনুল হক। অধ্যাপক গোলাম আজম সাহেবের সিটিজেনশীপ [Ref. 46DLR(AD)P.192] নিয়ে মামলাটা আমরা স্টাডি করি শেখার জন্য। সব মতের মানুষের জন্য এখানে জানার আছে।

ব্যারিস্টার রাজ্জাক স্যার এই সিটিজেনশীপ ইস্যু নিয়ে স্টাডি করার জন্য আমেরিকা গেছেন, ইংল্যান্ড গেছেন, ইন্ডিয়া গেছেন, পাকিস্তান গেছেন। আরও কিছু দেশে। সিটিজেনশীপ কি? সিটিজেনশীপ acquiring process কি? Modes of Termination of citizenship কি? কারো কি জন্মগত নাগরিকত্ব বাতিল হতে পারে? হলে কিভাবে? ব্যারিস্টার রাজ্জাক স্যার হয়তো মামলা জিতেছেন কিন্তু আমাদের জন্য রেখে গেছেন দৃষ্টান্ত। উনাকে এমনি এমনিই সুপ্রিমকোর্ট সিনিয়র এডভোকেট উপাধি দেয় নি।

ড কামাল যে শুধু নিজের অনুর্বর বুক দেখিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তা নয়। উনি একজন সিনিয়র আইনজীবী হলেও মাঝে মাঝে অদ্ভুত প্রতিক্রিয়ায় গোটা জাতিকেই বিস্মিত করেন।ফখরুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় উনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, “দেশ গোল্লায় যাক” । প্রথম আলো উনার এই কথাটুকু আড়াল করতে চাইলে পারেনি। নয়াদিগন্ত পরেরদিন একটা রম্যকার্টুন ছাপে। যেখানে লেখা ছিলো, “দেশ গোল্লায় যাক ড কামালের মতো”। তারা এখন দেশ নিয়ে নিজেদের ভাবাচ্ছে। কোথায় হালুয়া রুটির ঘ্রান পেয়েছে কে জানে।

ড কামাল, মাহী বি চৌধুরী আর মাহমুদুর রহমান মান্না বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য তিনটে গুরুত্বপূর্ণ গুপ্তকেশ। আপনি বলেন জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া। কেউ স্বীকার করুক আর না করুক জামায়াত বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃতীয় বৃহত্তম শক্তি। ফেয়ার ইলেকশন হলে জামায়াত যেদিকে থাকবে ক্ষমতা তার। আ লীগতো মোটেই বাগে আনতে পারেনি।উলটো জুলুম নির্যাতন করে আলীগ চিরজীবনের জন্য শ্ত্রু বানিয়ে ফেলেছে আলীগের কাছে এখন জামায়াত আউট করাই গুরুত্বপূর্ণ। তাই বিএনপি-জামায়াত জোট ভাঙতে ড কামাল গংদের এজেন্ডা দিয়েছে।

সরকার কেন এত সহনশীল! ইতিমধ্যে কোটা আন্দোলন হতে সকল আন্দোলনকেই সর্বশক্তি দিয়ে দমন করেছে সরকার। সেখানে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার নামে সরকারের বিপক্ষে তারা একজোট হচ্ছে তা সরকার সহ্য করছে! ব্যাপারটা হাস্যকর নয়? জামায়াতের মতো এত বড় দল যার সাংগঠনিক ভিত ছোট্ট ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করে নগর পর্যন্ত। একটা নির্যাতিত বিরাট অংশকে বাদ দিয়ে কেমনে জাতীয় ঐক্য। তাহলে জাতীয় ঐক্যের নামে দেশটাকে আরো জাতীয় বিভাজনের দিকে ঠেলে দেয়া হলোনা! এহেন শিশুসুলভ আইডিয়া এত বড় মাপের ব্যাক্তিত্বদের কাছ হতে আসাটা উনাদের বিবেকহীনতার পরিচায়ক। জামায়াতের বড় কোন সমস্যা থাকলে তা জামায়াতের সাথে আলোচনা করে সমাধান করুন।

বিএনপি মোসাদের কাছ থেকে ক্ষমতার গন্ধ পেয়েছে নিশ্চয়ই। ড কামালের কাছে এত মধুর উৎসের সহজ উত্তর হচ্ছে তার মেয়ে সারা কামালের স্বামী জায়নবাদী ইহুদিদের এজেন্ট ডেভিড বার্গম্যান। ড কামাল নাচে সেই খুঁটির জোরে। মাহী বির প্ল্যান বি মানে প্ল্যান ভারত। এরা বাপে আর পোলায় মিলে র এর এজেন্ট। এরা আজীবন ক্ষমতার স্বপন দেখতে দেখতে দলসহ মরে যায়।

বিএনপি খালেদাকে ছাড়াই নির্বাচনে যাবে সম্ভবত। খালেদা-তারেক ছাড়া বিএনপি আরেকটা আলীগ। দুইটা ভারতপন্থি আলীগকে জনগন কিভাবে সামলাবে আল্লাহ মালুম। জামায়াত ছাড়া যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসতে পারে তবে আসুক। এদেশের মানুষ যদি তাতে মুক্তি পায়।এই দেশ যদি তাতে স্থিতিশীল হয়। জামায়াতের এখন দরকার সাংগঠনিক পুনর্গঠন। বিএনপি পারলে জামায়াতকে ছাড়াই ক্ষমতায় আসুক ড কামালদের সাথে নিয়ে। দেশ স্থিতিশীল হোক। জামায়াত জোট ভাঙবেনা। জোট ভাঙার দায় জামায়াত নেবে না। আপনারা জোট ভাঙেন জামায়াত কিচ্ছু বলবেনা। যাই করবেন তাই ইতিহাস হয়ে থাকবে।

ABM Jobayer

About banglamail

Check Also

জামায়াতের ঐতিহাসিক ভুলগুলো..

“জামায়াতের ঐতিহাসিক ভুলের কারণেই ১৯৯৬ এ আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় জাতি আজও খেসারত দিচ্ছে।” …