Saturday , October 20 2018
Home / নির্বাচন / যে কারণে চট্টগ্রাম-১০ থেকে শাহজাহান চৌধুরীকে প্রার্থী দিতে চায় জামায়াত

যে কারণে চট্টগ্রাম-১০ থেকে শাহজাহান চৌধুরীকে প্রার্থী দিতে চায় জামায়াত

চট্টগ্রাম মহানগরীতে জোটের হয়ে আন্দোলন সংগ্রামসহ নানান কর্মসূচীতে বিভিন্ন সময়ে জোরালো ভূমিকা রাখেন শাহজাহান চৌধুরী, ২০০৬ সালেও জোট সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় জোটের হয়ে চট্টগ্রাম মহানগরী জুঁড়ে শাহজাহান চৌধুরীর সাহসী ভূমিকার মাধ্যমে জোটের অগ্রভাগে নেতৃত্ব প্রদান করেন, জোট সরকারের বিরোধী দল হিসেবেও দায়িত্ব পালন কালে শাহজাহান চৌধুরী জোটের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন, তাই জোট নেত্রী খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকেই চট্টগ্রাম – ১০ আসনে শাহজাহান চৌধুরীকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষনা করার ইঙ্গিত ছিলো, সেই সুবাধে চট্টগ্রাম মহানগরীতে জোটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনসহ নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে আগাম প্রচারণাও করে আসছিলেন।

সাতকানিয়ার গনমানুষের জনপ্রিয়তার বিবেচনায় যদি আনম শামসুল ইসলাম ও শাহজাহান চৌধুরীর মধ্যে তুলনা করা হয়,তাতে শাহজাহান চৌধুরীই অনন্য, তাই কেন্দ্রীয় প্রার্থী হিসেবে শাহজাহান চৌধুরী বারবার নমিনেশন পেয়েছেন এবং বিজয়ী হয়ে আসছেন,৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সাতকানিয়া থেকে বিজয়ী হয়ে অনন্য কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন শাহজাহান চৌধুরী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের প্রচারিক কাজে ও দায়িত্ব পালনে সাতকানিয়ার গনমানুষের প্রাণের মানুষ শাহজাহান চৌধুরী, প্রায় প্রতিটি গ্রামে গ্রামে তিনি জামায়াতের দূর্গ গড়ে তুলেন, কারো কোন বিপদে দল মত নির্বিশেষে দায়িত্ব পালনে সকল রাজনৈতিক দলের কাছেও রয়েছে তার সম্মান।

শাহজাহান চৌধুরী এবং আনম শামসুল ইসলামের মাঝে পার্থক্য কাউকে হেয় করার জন্য করি নি,বরং কিছু জামায়াতের প্রতি সাধারণ মানুষের পছন্দের তালিকায় শাহজাহান চৌধুরীকে রেখে আনম শামসুল ইসলাম বিরোধী ও শাহজাহান চৌধুরীর পক্ষে জোর প্রচারণার পরিপ্রেক্ষিতেই পার্থক্যটি তুলে ধরা, এই মতানৈক্যকে কাজে লাগিয়ে বিরোধী মতের মিডিয়ায় জামায়াতের ভিতরে অন্তর কোন্দলের নামে বিভিন্ন নিউজ প্রকাশিত হয়,যা অন্তন্ত দুঃখজনক,অথচ জামায়াতের এই দুই প্রার্থীর মাঝে কখনো বিরোধ তো থাকা দূরের কথা,সব সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরী,নিজ এলাকায় কিংবা কেন্দ্রে দুইজনেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছেন, জামায়াতের কোন নেতার পক্ষে অন্তর কোন্দল রেখে সংগঠন করা সম্ভব নয়,যেমন যারা এমন বিরোধ নিয়ে আপত্তিকর প্রচারণা করছেন,তারা কেউ সংগঠনের এক্টিভ কর্মী নন,সুতরাং এমন কুমনোভাব রেখে জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব কি করে সম্ভব?

জামায়াতে ইসলামীর কোন প্রার্থীকেই ছোট করে দেখার কোন সুযোগ নেই, জামায়াত যেহেতু শাহজাহান চৌধুরী দূদকের বানোয়াট মামলায় নির্বাচনে প্রার্থী হতে না পারায় আনম শামসুল ইসলামকে দিয়ে সাতকানিয়া আসনটি ধরে রাখতে পেরেছে,সেহেতু সাতকানিয়ায় সংগঠনের ভিত্তি গড়ে দেয়া শাহজাহান চৌধুরীকে দিয়ে জামায়াত সাংগঠনিক প্রয়োজনে নতুন যে কোন একটি আসন রচনার সুযোগ তৈরি করতে চাইতেই পারে, আর তা অবশ্যই ঝুঁকিমুক্ত এবং নিখুত বিজয় সম্ভাবনার মধ্য দিয়েই, কারণ শাহজাহান চৌধুরী যেমন সাতকানিয়া এলাকার গনমানুষের নেতা,ঠিক তেমনি চট্টগ্রাম মহানগরীসহ জোরালো নেতৃত্বের জন্য বৃহত্তর চট্টগ্রামেই রয়েছে তার খ্যতি ও পরিচিতি,তিনি সারাদেশ জুঁড়েই অনন্য।

তাই,কাউকে ছোট করে কোন নেতাকে বড় করা যায় না,আমরা সম্মান দিতে শিখি সাতকানিয়ার জমিনের গর্ব কৃতিত্তের স্বাক্ষর এই দুই নেতাকেই, ইনশা আল্লাহ,আমাদের সকলের ভালোবাসাও আন্তরিকতা থাকলে এই দুই নেতাকেই আমরা জাতীয় সংসদে বিজয়ী প্রতিনিধি হিসেবে পাঠাতে পারবো,তাই সংগঠনের স্বিদ্ধান্ত সংগঠনকেই নিতে দিন, আর সংগঠন প্রার্থীতা প্রদানের বেলায় আগে স্থানীয় সংগঠন এই স্বিদ্ধান্তে জোরালো ভুমিকা রাখে ও পরে কেন্দ্র সেটিকেই সমর্থন দিয়ে থাকে।

abul bayan helali

About banglamail

Check Also

গনসংযোগে ব্যস্ত (পাবনা-৪) আসনের এম.পি পদপ্রার্থী, জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আবু তালেব মন্ডল

বিভেদের ময়দানে ঐক্যের প্রতীক, হতাশার সমুদ্রে আশার বাতিঘর, জালেমের শোষণে দিশেহারা মানুষের জন্য আশার আলোকবর্তিকা,ঈশ্বরদী-আটঘরিয়াবাসীর …