দেশে একটা তুলকালাম কাণ্ড ঘটে গেলো, কিন্তু কোন মিডিয়ায় এই খবর আসলো না!

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজার তুরকুনীতে ইসলামী মহাসম্মেলনের আয়োজন করে স্থানীয় যুব সমাজ। প্রধান বক্তা হিসাবে বয়ান করতে উপস্থিত ছিলেন, মুফতী হাবিবুর রহমান মিছবাহ কুয়াকাটা। স্থানীয় এমপি নজরুল ইসলাম বাবুকে প্রধান অতিথি হিসাবে রাখা হয়। হাজার হাজার জনতা মুফতী মিছবাহ সাহেবের বয়ান শুনছিল আগ্রহ ভরে।এরমধ্যেই এমপি এসে উপস্থিত হয়।এমপি’র উপস্থিতির সাথে সাথে অসংখ্য শ্রোতা মাঠ ছেড়ে চলে যায় তাকে অপছন্দ করে বলে। মুফতী মিছবাহ সাহেবের বয়ান বন্ধ করে এমপিকে মাইক দেয়া হয়। এসময় আরেকদফা শ্রোতারা উঠে যায়। এতে এমপি ক্ষিপ্ত হয়ে তার বক্তব্যে শ্রোতাদের হুমকি দিয়ে কথা বলতে থাকে। এমপি বাবু বক্তব্য শেষে চলে যাওয়ার সময় মিছবাহ সাহেব মাইক ধরে বলেন, -আমার জীবনের প্রথম কাউকে বয়ান বন্ধ করে কথা বলতে দিলাম।’এ কথা শুনেই এমপি তেড়ে আসে মুফতী সাহেবের দিকে। এতে শ্রোতারা এমপির প্রতি মারমুখী হয়ে ওঠে। মাঠের সমস্ত শ্রোতা দাঁড়িয়ে শ্লোগানে শ্লোগানে ধিক্কার দিতে থাকে এমপি বাবুকে। প্রবল জনরোষ ছড়িয়ে পরে এলাকায়। তখনও জনগন কে শান্ত করতে চেষ্টা করেন মুফতী সাহেব।

কিন্তু এমপি বাবু মাহফিলে উপস্থিত একজন স্থানীয় জনগন কে হুজুরের পক্ষে স্লোগান দিতে দেখে হুজুর সহ মাহফিলে উপস্থিত সবাইকে ‘বেয়াদব’ বলে সন্মোধন করেন। এবং হুজুর যখন প্রতিবাদ করছিলেন কেন ‘বেয়াদব’ বলছেন, তখন এমপি বাবুর সাথে উপস্থিত এক ব্যাক্তি বলেন ‘হুজুর মাইক অফ করেন’।এমপি বাবু তখন মুফতী কে হুমকি দিয়ে বলেন, -আপনি এখন আমার এলাকায়, আর এখানে উপস্থিত সবাই আমার এলাকার লোক।এর জবাবে মুফতী হাবিবুর রহমান বলেন, -আমি কোন গুন্ডা বাহিনী কে পরোয়া করি না, আমি আল্লাহ্‌ কে পরোয়া করে কথা বলি। ভয় দেখাতে আসবেন না।তখন হুজুরের কথা শুনে উপস্থিত স্থানীয় এলাকার সব মানুষ হুজুরের পক্ষে স্লোগান দিতে থাকে। এবং ইজ্জত বাঁচিয়ে মাহফিল এলাকা ত্যাগ করেন আওয়ামীলীগের স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সাবেক ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু।

Comments Us On Facebook: