তাকে নাকি লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া মুস্কিল ?

মাহফিলের টাকা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক দেখে দুইয়েকদিন আগে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম। অধিকাংশ পাঠক বিষয়টি পজেটিভলি নেয়ায় খুব ভালো লাগলো। কিন্তু মুদ্রার বিপরীত পিঠে কিছু অর্থলোভী, ধান্ধাবাজদের কারণে পুরা আলেম সমাজ বিদ্ধেষ, ঘৃণা বা রোষানলে পড়তেছে।যেমন হাফিজুর রহমান নামে এক মাওলানার ওয়াজ ব্যাবসা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা দেখেছি। পত্রিকা থেকে দুটো অংশ নিচে……

চাটখিল পৌরসভার ২নং ওয়ার্ড সুন্দরপুরের মাহফিলের জন্য তিনি অগ্রিম টাকা নিয়েও উপস্থিত হননি। মাহফিল কমিটি জানান, মাহফিলে মাওলানা হাফিজুর রহমান (কুয়াকাটা) কে প্রধান বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়। মাওলানা হাফিজুর রহমান (কুয়াকাটা) আমাদের কাছে ৪০ হাজার টাকা অগ্রিম চাইছিলেন। কিন্তু আমরা ১০ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা মাহফিল সম্পূর্ণ শেষে দিবো বলি, হয়তোবা আমরা সম্পূর্ণ টাকা না দেয়ার কারণেই তিনি আসেনাই।

পত্রিকার রিপোর্টগুলোতে উল্লেখ করা হয়, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ওয়াজ মাহফিলে অগ্রিম টাকা নিয়ে না যাওয়ার আরো অভিযোগ রয়েছে। তিনি গত ২৯ নভেম্বর নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীর মাহফিলে প্রধান বক্তা হাফিজুর রহমান মাহফিলের দাওয়াত নিয়েও মাহফিলে যান নাই। বগাদিয়া কেন্দ্রীয় মসজিদ কমিটির ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ ও ওয়াজ মাহফিল আয়োজক কারী রাকিব উদ্দিন জানান, মসজিদের ইমাম রেয়াজুল ইসলামের মাধ্যমে হাফিজুর রহমান (কুয়াকাটার) সাথে যোগাযোগ করা হয়। ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। বক্তা ওয়াজ মাহফিলে না আসায় ওই ইমাম পলাতক রয়েছে। ( সুত্র: আওয়ার ইসলাম)

এই অভিযোগের জবাবে তিনি দুই ধরণের ব্যাখ্যা দিলেন। একটিতে অসুস্থতার অজুহাত অন্যটিতে ব্যাপক ক্ষ্যাপা ভাব নিয়ে মাহফিল আয়োজকদের বেয়াদব, কুলাঙ্গার ইত্যাদি শব্দে জর্জরিত করলেন। বেশ অহংবোধ নিয়ে বল্লেন তাকে নাকি লাখ টাকা দিয়েও পাওয়া মুস্কিল। বাহ, এই হল ওয়াজ ব্যাবসায়ীর নেগেটিভ ফল।

হাফিজুর রহমান কুয়াকাটা বা তাফাজ্জল হোসেন ভৈরবীর মত কিছু ওয়ায়েজীনদের কারণে পুরা আলেম সমাজ সমালোচনার মুখে। অর্থলোভী, দাম্ভিক আলেমের মাধ্যমে মাহফিল আয়োজন করে কিচ্ছা কাহিনী শুনার মাঝে কোন ফজীলত বা লাভ আছে কি?

Kutub shah

Comments Us On Facebook: