নড়াইলে সেটেলমেন্ট অফিস ঘেরাও,বিক্ষোভ মিছিল

উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি: নড়াইলে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস থেকে ৫টি মৌজার ভূমি জরিপ ও রেকর্ড যাঁচাই-বাছাইয়ের কাজ অন্য উপজেলায় নিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে গতকাল মঙ্গলবার এলাকাবাসী সেটেলমেন্ট অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ মিছিল করে।

এ সময় বিক্ষোভকারীরা কাগজপত্র নিতে আসা কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে লোহাগড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বিস্তারিত আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়ের রিপোর্টে, জানা গেছে ,সম্প্রতি নড়াইলের উপজেলার ভূমি জরিপ ও রেকর্ড কার্যক্রম যাচাই-বাছাই চলছে। ভুলত্রুটি থাকলে সংশোধনের জন্য জমির মালিকদের নোটিশ করে শুনানী করা হবে।

এরপর মৌজার কার্যক্রম প্রিন্টে যাবে। এ কাজ করার জন্য গত ২৯ নভেম্বর যশেরের জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসার এম ডি আব্দুস সালাম স্বাক্ষরিত এক পরিপত্রের মাধ্যমে লোহাগড়া উপজেলার ধোপাদাহ মৌজার কাজ মরিামপুরে,লক্ষীপাশা ও লাহুড়িয়া মৌজার কাজ যশোরে, কুমড়ি ও মল্লিকপুর মৌজার কাজ কেশবপুর নিয়ে যাঁচাই-বাছাই করার জন্য আদেশ দেন।

এ প্রেক্ষিতে যশোর অফিসের কপিষ্ট কাম বেঞ্চ সহকারী সিতাব উদ্দীন গতকাল লোহাগড়া সেটেলমেন্ট অফিসে কাগজপত্র নিতে আসলে জানতে পেরে ওই ৫টি মৌজার ও স্থানীয় লোকজন বিক্ষোভ মিছিল করে অফিস ঘেরাও করে কাগজ পত্র সহ ওই কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এ ব্যাপারে বিক্ষোভকারী নড়াইলের লাহুড়িয়া গ্রামের নান্নু মিয়া,টুকু মিয়া কুমড়ি গ্রামের আব্দুল হাই,ইনামুল সরদার মল্লিকপুর গ্রামের হাসান বিশ্বাস, হেলাল হোসেন বলেন, উপজেলা থেকে ৮০/৯০ কিলোমিটার দূরে অন্য উপজেলায় গিয়ে কাজ করতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হবে। তারা এ সিদ্ধন্ত বাতিলের দাবী জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্বারকলিপি দেন।

যশোরের জোনাল সেটেলমেন্ট কর্মকতা আব্দুস সালাম কে জানান,লোহাগড়া অফিসে জনবল সংকটের কারনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়কে বলেন, এ সিদ্ধান্ত ঠিক হয়নি।

এতে এ এলাকার লোকজনের ভোগান্তি বাড়বে। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করেছি। যশোর জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করা হবে।

Comments Us On Facebook: