টাকা আসবে কোত্থেকে?

২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকা। যা মোট জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) ১৮ শতাংশ। এরমধ্যে রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে দুই লাখ ৮৭ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ১৩ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল দুই লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। যা পরবর্তীতে সংশোধন করে নির্ধারণ করা হয়েছিল দুই লাখ ১৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বৃহস্পতিবার (১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।

অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাবিত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আয়ের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধরণ করা হয়েছে দুই লাখ ৪৮ হাজার ১৯০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধনী বাজেটে এর পরিমাণ হচ্ছে এক লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা। নতুন বাজেটে এনবিআর বহির্ভূত কর বাবদ পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে আট হাজার ৬২২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধনী বাজেটে এ বাবদ লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে ৭২৬১ কোটি টাকা। নতুন বছরের জন্য কর ছাড়া রাজস্ব পাওয়া যাবে ৩১ হাজার ১৭৯ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতি রয়েছে এক লাখ ১২ হাজার ২৭৬ কোটি টাকা। যা জিডিপির পাঁচ শতংশ।

প্রস্তাবিত বাজেটে বৈদেশিক অনুদান বাবদ পাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ৯২৪ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির দুই দশমিক তিন শতাংশ। চলতি ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরের বাজেটে এ খাত থেকে ৩৬ হাজার হাজার ৩০৫ কোটি টাকা পাওয়ার পরিকল্পনা করলেও সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে ২৮ হাজার ৭৭১ কোটি টাকা করা হয়েছে। যা মোট জিডিপির এক দশমিক পাঁচ শতাংশ।

প্রস্তাবিত বাজেটের চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার যোগান আনতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৬০ হাজার ৩৫২ কোটি টাকা পাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা মোট জিডিপির দুই দশমিক সাত শতাংশ।

ব্যাংক ব্যবস্থাপনা থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ হাজার ২০৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির এক দশমিক তিন শতাংশ। আর সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত উৎস থেকে ৩২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা পাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। যা জিডিপির এক দশমিক চার শতাংশ।

/এসআই/এসএমএ/

Comments Us On Facebook:

Leave a Reply